VoiceBharat News images 31

এতদিন অনেকের ধারণা ছিল অ্যান্টিবডিই করোনা প্রতিরোধের একমাত্র নিয়ামক। বিজ্ঞানিদের একাংশও বলেছিলেন শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলেই আর কোনো আশঙ্কা নেই। তাই দেহে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি আছে কিনা অথবা ভ্যাক্সিন নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি কতটা, সেই উত্তর জানতেই উদগ্রীব ছিলেন সবাই।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোভিড আক্রান্ত হওয়ার পরের যে চিকিৎসা পদ্ধতি তা চলাকালীন দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে কোভিড ১৯ আক্রান্তদের শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় তার ক্ষমতা তিনমাসের মধ্যেই নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে। ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরেও সঠিক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি এমন কিছু কেস পাওয়া গেছে। তাই বলে আশা হারাবার কারণ নেই।

কেননা উল্টোটাও অনেক ক্ষেত্রে ঘটেছে। টিকা না নিয়েও আক্রান্ত হননি, পাওয়া গেছে এমনও ব্যক্তি, অথবা হলেও তার উপসর্গ একেবারেই কম। কেন এই পার্থক্য ?

VoiceBharat News images 32

সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই গবেষকরা খুঁজে পেয়েছেন ‘ টি সেল’। যা কোভিড সংক্রান্ত গবেষণায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
টি সেল কী?
টি সেল হল এক ধরনের শ্বেত কণিকা। সুইডেনের কারোলিনস্কা ইন্সটিটিউটের একটি সমীক্ষা থেকে উঠে আসছে এই রিপোর্ট। ওই ইন্সটিটিউটের গবেষকরা প্রায় ২০০ লোকের ওপর একটি পরীক্ষা চালান। প্রতিষেধক ছাড়াই সুস্থ আছেন এমন ব্যক্তিদের শরীরে পাওয়া গেছে ওই শ্বেত কণিকা যার নাম টি সেল। এর প্রক্রিয়াও অভিনব।

VoiceBharat News images 30


গবেষকরা বলছেন এই টি সেলের এক ধরণের মেমরি পাওয়ার বা চিহ্নিতকরণ ক্ষমতা রয়েছে। সংক্রমিত হয়েছে এমন কোষের সন্ধান পেলেই তারা সাথে সাথে আক্রান্ত কোষগুলি বিনষ্ট করে। ফলে এক কোষ থেকে অন্যকোষে ভাইরাস সংক্রমণ বাধা পেয়ে যায়।
ইমিউনিটি টেস্ট, টিকা আবিস্কারের পাশাপাশি এই নতুন তথ্য ভবিষ্যতে করোনা প্রতিরোধের সম্ভাবনাকে আর এক ধাপ এগিয়ে দিল।

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com