কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

আবারো এক গরুর দুধে মিলল সোনা : বিরোধীদের পড়াশোনা করতে বললেন সুকান্ত মজুমদার

Current India Features Politics

ধূমকেতুুর মতো ঘটল তাঁর আগমন। আগের রাতেও এ খবর শোনার জন্য বঙ্গবাসী প্রস্তুত ছিলনা। সকালের খবরে হঠাৎ বিস্ফোরন ! দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দিল দল–সরিয়ে দিল ‘অন্য কোথাও অন্য কোনোখানে’। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছিল দিলীপের জায়গায় তাহলে কে? সারাদিনে উত্তরটা জানা হয়ে গেছে, বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতিকে চিনে গেছেন সবাই — ইনি সুকান্ত মজুমদার।


এটাও জানা যাচ্ছে, স্বয়ং দিলীপ ঘোষই নাকি সুকান্তর নাম প্রস্তাব করেছিলেন। তাহলে সুকান্ত মজুমদারকে উত্তরসূরী বলাই যায়। আজ প্রথম দিবসেই সিনিয়র দিলীপ ঘোষের দশমুখে প্রশংসা করেছেন তিনি। সেই আলোচনায় খুব স্বাভাবিক ভাবেই ‘গরু’ ঢুকে পড়েছে।
গরু মানে, গরুর দুধ, মানে সেই সোনার প্রসঙ্গটাই তুলে আনলেন সুকান্ত।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

এসবই নিন্দুকদের প্রচার। তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় এ প্রসঙ্গে কটুক্তি করে বলেন,”বিজেপি গরু বিজ্ঞানীদের দল”।

সে নিন্দেমন্দ যতই হোক, আসলে নতুন রাজ্য সভাপতি  সুকান্ত মজুমদার দিলীপ বাবুর বক্তব্যের বিজ্ঞানসম্মত দিকটাকেই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন,”দিলীপদার বলা কথাকে অতিরঞ্জিত করেছে বিরোধী দল। ভারতীয় গরুদের বৈশিষ্ট্যই হল — তার দুধে সোনার ভাগ থাকে, তাই সে দুধের রঙ হলদেটে হয়”।


এরপর সুকান্ত গরুর দুধে সোনার বিজ্ঞানসম্মত আলোচনাটিকেই নিজস্ব ধারায় পরিবেশন করে বোঝান,”গরুর কুঁজের মধ্যে স্বর্ণনাড়ি থাকে। সেখানে সূর্যের আলো পড়লে তা থেকে সোনা তৈরি হয়। সেই সময়কার একটি আন্তর্জাতিক জার্নালেও গরুর দুধে সোনার অস্তিত্ব নিয়ে একটি  রিসার্চ পেপার বের হয়েছিল। আমিও সেটা পড়েছিলাম।  দিলীপদা ওই রিসার্চের। সূত্র ধরেই কথাটা বলেছিলেন। কিন্তু বিরোধী রাজনীতিকরা সে বক্তব্যের উল্টো মানে বের করে ব্যঙ্গ করতে থাকে”।


সুকান্ত প্রথমদিন দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই গরুর দুধ সংক্রান্ত বিরোধীদের ওইসব ব্যঙ্গ বিদ্রূপের উপযুক্ত একটি জবাব দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেছেন,”খাবার খেলেও তো দেহে আয়রন তৈরি হয়! তার মানে তো এই নয়, সেই লোহা দিয়ে টিএমটি বার তৈরি করা যাবে?”


প্রশ্নটা লোহার শলাকার মতোই ধারালো। তবে বিরোধীরাও কম যায়না। তাদের তরফে এর পাল্টা প্রশ্ন –“ওই লোহা দিয়ে যদি টিএমটি বার তৈরি করা না যায়, তাহলে এই সোনা দিয়ে সোনার বিস্কুট তৈরি করা যায় কি? তাহলে তাকে সোনা বলা যায় কী করিয়া?”


এর উত্তর নিশ্চয়ই জণগন ভবিষ্যতে পাবেন। ‘গবেষণা ‘ শব্দের অর্থই হল গরুর মতো খোঁজা। প্রথম দিনের গবেষণা পত্র সবার সামনে মেলে ধরে তরুণ তুর্কী সভাপতি সুকান্ত বিরুদ্ধবাদীদের চ্যালেঞ্জ করলেন,”আপনারা সমালোচনা করার আগে পড়াশোনা করে আসুন”।