কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

আবার বিস্ফোরক মন্তব্য অনুব্রতর : বিজেপিকে সপাট হুমকি

Current India Features Politics

বীরভূমের অন্যতম তৃণমূল সংগঠক তিনি। ‘মাটির মানুষ’ অনুব্রত মন্ডল যা বলেন পষ্টাপষ্টি বলেন। এবার যেমন নাম না করেই দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারকে ‘ভেড়া’ আর ‘ছাগল’ বলে সম্বোধন করলেন প্রকাশ্যেই। লাভপুরে আয়োজিত তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানের দিন সুকান্ত মজুমদারকে ‘ছাগল’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।শুধু তাই নয় বিজেপি নেতাদের হুমকির বদলে পাল্টা হুমকিও দিয়েছেন। আর তাই নিয়েই শোরগোল বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে।


আসলে গতকালই কাটোয়ায় বিজেপির কর্মীসভায় নিজেদের নেতা-কর্মীদের মারপিটের ঘটনা বিজেপিকে ভীষণ অস্বস্তির মুখে ফেলে দিয়েছে। সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “ওসব তৃণমূলের চক্রান্ত”। কিন্তু সুকান্তের সাফাইটা যে বিশ্বাসযোগ্য হয়নি বলাই বাহুল্য। ঘটনাস্থল যখন বীরভূম, তখন অনুব্রত মন্ডলের মতামত না নিয়ে কি থাকা যায়! সেই উদ্দেশ্যেই সাংবাদিকরা বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বে সভা ভন্ডুলের প্রতিক্রিয়া চাইলেন অনুব্রতর কাছে।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

অনুব্রতর স্পষ্ট উত্তর, “ছিল ভেড়া, এসেছে ছাগল। মানুষ মানবে কেন? তাই যা হওয়ার তাই হয়েছে”।
এই উক্তি কাদের উদ্দেশ্যে, এরপরে নিশ্চয়ই আর বলে দিতে হয়না।

অনুব্রতর মন্তব্যে স্বভাবতই তেতে উঠেছে গেরুয়া শিবির। ‘ভোট পরবর্তী হিংসার মামলা’-র পর বিজেপি এবার আরো এক উলটপুরাণ তৈরি করছে। এবার তাদের অভিযোগ– শাসক দল তৃণমূল নেতাদের পরিচালনায় তাঁদের কর্মীদের মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে পুলিশ জেলে ভরছে।

অথচ, বাস্তবে ঘটছে উল্টোটাই। গতকালও এক তৃণমূল কর্মীকে সিবিআই গ্রেপ্তার করেছে নদীয়ায়। বিজেপির নব্য রাজ্যসভাপতি সেসব বেমালুম ভুলে উল্টে তৃণমূলকেই হুমকি দিয়ে বসলেন, “দলের কর্মীদের যদি মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয় তাহলে সেই মামলাই সত্যি করবেন কর্মীরা। মার দিয়েই কেস খাবেন”।


সুকান্তের এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠেছে, কারা করতে চাইছে তবে হিংসার রাজনীতি!
অনুব্রত অবশ্য চুপ নেই। পাল্টা হুমকি ছুঁড়ে তিনিও বলেছেন,”মারতে এলে কব্জি থাকবে তো?”

দু’তরফের এই হুমকি ছোঁড়াছুঁড়িতে বীরভূমে তুমুল চাপানউতোর শুরু হয়ে গেছে।
অনুব্রতর এই পাল্টা উত্তরের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বীরভূমের বিজেপি জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা আবার বলেন , “কথাতেই তো আছে পাগলে কি না বলে…”। বাকিটা আর বলতে পারেননি। বোধহয় ‘ছাগল’-এর প্রতিশব্দ খুঁজছিলেন।