কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

কংগ্রেস-তৃণমূল দ্বন্দ্বে আখেরে লাভ বিজেপিরই

Current India Features Politics

রাহুল গান্ধীই কংগ্রেস ও তৃণমূলের মাঝখানে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াচ্ছেন, তৃণমূল যে রাহুলের আচরণে অসন্তুষ্ট তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তবে আসন্ন দিনগুলোয় কংগ্রেস ও তৃণমূলের এই পরস্পর বিরোধীতা বিজেপির লাভের অঙ্কই বাড়াবে সেটা বুঝতে পারছেন উভয় দল, কিন্তু বাস্তবে একে অপরকে দোষারোপ ছাড়া কিছুই করতে তারা তৎপর নন।


সংবাদ সূত্র বলছে, বিবাদ বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পছন্দের প্রার্থী মীরা কুমারকে দাঁড় করাতে সম্মত না হওয়ার ফলেই বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়। আসন নিয়ে সমঝোতা না করে উল্টে সিপিআইএমের সাথে জোট করে সীতারাম ইয়েচুরির আস্থাভাজন হওয়া এসব কেন্দ্র করেই সেই বিবাদ দিনে দিনে বেড়েছে। আর তার জন্য রাহুল গান্ধীকেই দায়ী করেছে তৃণমূল।অপরপক্ষে, কংগ্রেসের দাবি তৃণমূলই তাদের দলে ভাঙন ধরানোর মূলে।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304


এত সত্ত্বেও বিগত উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেয়নি কংগ্রেস। যে কারণে বাংলায় বাম – কংগ্রেসের সম্পর্কে সাময়িক চিড় ধরেছিল বৈকি! এটাকে অবশ্য তেমন গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেনি তৃণমূল, উল্টে মমতা জেতার পর দলের তরফে কংগ্রেসের প্রতি বিষোদ্গার করা হয়েছে।

তবে আসন্ন দিনে বিজেপি বিরোধী জোট শক্তিশালী করতে হলে সনিয়া-মমতার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ভাঙা প্রয়োজন রাজনৈতিক মহলের অনেকেই তা মনে করছেন।


কংগ্রেসের জাতীয় নেতৃত্বও সেটা জানেন। ভবিষ্যতে সনিয়া-মমতা সমীকরণ কেমন দাঁড়াবে সেটা অনুমান করতে না পারলেও গোয়ায় যে কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ নেতার সংখ্যা বাড়বে এমনটাই অনেকে মনে করছেন। আপাতত ‘কারুর জন্য তোয়াক্কা না করে’ একলা এগিয়ে চলার পন্থাই বেছে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।