কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

কলকাতা হাইকোর্টে ঝুলে রইলো প্রায় ১৫ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীর ভাগ্য ; ক্ষোভ চরমে

Current India Features Politics

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে জট যে অব্যাহত রইল তা বলাবাহুল্য । সমস্যার সূত্রপাত ঘটেছে নিয়োগে উপযুক্ত কারা , কাদের প্রাধান্য বেশি দেওয়া হবে এবং পদে যোগ্যতার মাপকাঠি কি এইসব নিয়েই আর ফলে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়ে ডিএলএড আর বিএড চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে সমস্যা দেখা দিয়েছে । এর ফলে প্রায় ১৫ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ এখন কলকাতা হাই কোর্টের হাতে ।

শনিবার হাই কোর্টে এই ১৫ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার শুনানি হয় । দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিশেষ বেঞ্চ এদিন কোনও রায় ঘোষণা করতে না পারায় আগামী মাসে ফের মামলার শুনানি হবে বলে জানা যাচ্ছে ।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

নিয়ম অনুযায়ী , ডিএলএড উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরাই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে পারেন । এই নিয়ম মেনে অগ্রসর হয় রাজ্য শিক্ষা সংসদ । কিন্তু ২০১৮ সালে এনসিইআরটি জানায়, বিএড উত্তীর্ণ প্রার্থীরাও এই পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে ।আর এতেই বাঁধে দ্বন্দ্ব । এনসিইআরটি-র নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে গিয়ে মামলা করেন ডিএলএড পরীক্ষার্থীরা । তাঁদের দাবি , মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিএড এর প্রয়োজন পড়লেও ওই প্রার্থীরা এখন প্রাথমিকের নিয়োগে ঢুকে পড়ছেন আর ফলে তাঁদের মতো পরিক্ষার্থীদের অধিকার হনন হচ্ছে । যা নিয়ে তাঁরা আদালতে যান । এরপর প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ জানায় , বিএড-দের জন্য প্রাথমিক নিয়োগে কেন্দ্রীয় আইন মানতে হবে । তবে সে ক্ষেত্রে প্রার্থীদের স্নাতকে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকা দরকার ।

এ নিয়ে আবারো তৈরি হয় সমস্যা । প্রথমত , ২০১১ সালের আগে যাঁরা স্নাতক পাশ করেন তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারবেন কি না আবার যাঁরা স্নাতকে ৫০ শতাংশ না পেলেও স্নাতকোত্তরে ৫০ শতাংশ পান তাঁরা যোগ্য কি না ? প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের এসব বিষয় নিয়ে শনিবার শুনানি হয় হাইকোর্টে । বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তিন পক্ষের বক্তব্য শোনেন তবে শনিবার শুনানি শেষ করা সম্ভব হয়নি । বিএড প্রার্থীদের আইনজীবী বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন , ”এনসিইআরটি-র নিয়ম মেনে বিএড ডিগ্রিধারীদের চাকরি পাওয়ার অধিকার রয়েছে আর রাজ্যে বর্তমানে ১২ লক্ষ বিএড উত্তীর্ণ রয়েছেন ফলে এই নিয়োগে তাঁদেরও সুযোগ পাওয়া উচিত।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৪ অক্টোবর বলে জানা যাচ্চে । ফলে মামলার শুনানির দিকেই যে তাকিয়ে অসংখ্য পরীক্ষার্থী তা বলা যায় ।