আমাদের Telegram এ ফলো করুন সবার আগে সর্বশেষ আপডেট পান Click Here

Google News এ ফলো করুন Click Here

কানহাইয়াকে হারিয়ে সর্বহারা সিপিআই : এসিটা পর্যন্ত খুলে নিয়ে গেলেন যুবনেতা

Current India Features Politics

এখনও অনেকের বিশ্বাস হচ্ছেনা , কানহাইয়া যোগ দিতে চললেন কংগ্রেসে। আজই সেই শুভক্ষণ। যেদিন সিপিআই -এর অগ্নিস্ফুলিঙ্গ যোগ দিতে চললেন কংগ্রেসে। কিন্তু যাওয়ার আগে যে কান্ডটি করলেন সেটা আশা করেনি সিপিআই।


কানহাইয়া কুমার। কমিউনিস্ট পার্টির বর্তমান অবস্থানে একটি জনপ্রিয় নাম। তরুন প্রজন্মের বাম সমর্থকদের কাছে সিম্বলিক নাম হয়ে উঠেছিলেন রীতিমতো। বিহারের মঞ্চ কাঁপানো সিপিআই যুবনেতাকে নিয়ে আশা ভরসা করেছিলেন সিনিয়র বামেরা।

তবে সব আশা ভরসাকে ঝোড়ো হাওয়ায় উড়িয়ে কানহাইয়া উড়ে চলে গেলেন কংগ্রেসে। আর যাওয়ার আগে পার্টি অফিস থেকে খুলে নিয়ে গেলেন এসিটা। বাম নেতারা কানহাইয়ার এই আচরণে যারপরনাই বিস্মিত হয়েছেন।
নিজেই টাকা খরচ করে পার্টি অফিসে এসি লাগিয়েছিলেন কানহাইয়া কুমার। অতএব এটা তারই ‘প্রপার্টি’। ফলে খুলে নিয়ে যাবার অধিকারও আছে তার।
তবে কার্ল মার্ক্সের ‘ক্যাপিটাল’ কানহাইয়া ঠিকঠাক পড়ে হৃদয়ঙ্গম করে তবেই কমিউনিস্ট পার্টি করতে এসেছিলেন কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন বাম সমর্থকদের একমহল। ঠিক যেমন করে কিছু কানহাইয়া ভক্ত দুষছেন সিপিআই পার্টিকেই, তাদের অভিযোগ পার্টিই কানহাইয়ার মতো নেতাকে ধরে রাখতে পারলেন না।


রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে পার্টিই কানহাইয়াকে রাস্তা দেখিয়েছে। সেই পথেই চলেছেন কানহাইয়া! তাহলে তার দোষ কোথায়?
কিছুদিন আগেও কাস্তে -হাতুরি- তারা – ধানের সাথে ‘হাত’ চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল মিটিঙে মিছিলে সমাবেশে। তবে সেটা ছিল ভোটের জোট।
তাই বলে রাহুল গান্ধীর সাথে এক পোস্টারে কানহাইয়া! এ যেন ভাবতেই পারছেননা বাম নেতারা। সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক জানিয়েছেন,” সেপ্টেম্বরের ৪ ও ৫ তারিখে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকেও কানহাইয়া যোগ দিয়েছিলেন। তখনও একবারও মনে হয়নি তিনি এইভাবে দল বদলে ফেলতে পারেন”।


বদলালেন। শুধু তাই নয়, নিজের লাগানো এসিটাও খুলে নিয়ে পার্টিঅফিসকে যথার্থই ‘সর্বহারা’ করে গেলেন কানহাইয়া কুমার।