আমাদের Telegram এ ফলো করুন সবার আগে সর্বশেষ আপডেট পান Click Here

Google News এ ফলো করুন Click Here

কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকায় দুর্গাপুজোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার ! হাইকোর্টে হলো জনস্বার্থ মামলা

Current India Entertainment Features

দুর্গাপূজা যে বাঙালির কাছে কত বড় নস্টালজিয়া তা আর বিশেষ করে বলতে হয় না । পুজোর এই পাঁচটা দিনে কলকাতা শহর হতে গ্রাম বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে আট থেকে আশি সকলেই মেতে ওঠে , তবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব-এ কি এবারেও কোপ পড়তে চলেছে ?

আপাতত কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকা এবং হাইকোর্টে করা জনস্বার্থ মামলা যেন সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে বারবার । গতবছর করোনার ঢেউ এর মধ্যেই ছোট করেই পালিত হয় দুর্গাপুজো ; গতবছর শেষ মুহূর্তে হাইকোর্টের নির্দেশে প্যান্ডেলের ভেতরে ঢুকতে বাধাপ্রাপ্ত হয় মানুষ ফলে প্রত্যেক বছরের জৌলুস এর চেনা ছবি গত বছর থেকেই উধাও কলকাতার প্রতিটি প্যান্ডেলে । তাই এ বছরে করোনার মধ্যে পুজোর ভবিষ্যৎ কি হতে চলেছে তা নিয়ে চিন্তায় সকল বাংলাবাসী ।

এবছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত হয়েছিল দেশবাসী ! চারিদিকে মৃত্যু-মিছিলের সাক্ষী ছিল ভারতীয়রা এবং বর্তমানে সেই পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হলেও রয়েছে তৃতীয় ঢেউয়ের সর্তকতা যেখানে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি । তাই পুজোর মরসুমের ঠিক আগে কেন্দ্র থেকে প্রতিটি রাজ্য সরকারকে দেওয়া হল নতুন নির্দেশিকা । এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে , দেশের যে সমস্ত জেলারয় সংক্রমণের হার ৫% শতাংশের বেশি সেখানে উৎসবের মরসুমে মানুষের জনসমাগম এড়ানো বাঞ্ছনীয় , তাই পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র কলকাতা জেলাতে সংক্রমণের হার ৫/থেকে ১০% এর ভিতর হওয়ার ফলে দুর্গাপুজোর প্রাণকেন্দ্র কলকাতার বিভিন্ন প্যান্ডেলে কিভাবে জনসমাগম এড়ানো সম্ভব এবং প্রতি বছরের মতো পুজোর জৌলুস রাখা আদেও সম্ভব কিনা সেই চিন্তায় শহরবাসী ।

আগের বছর জৌলুসহীন পুজোর পর এবছর অনেকে আশা করেছিল প্রাণভরে পুজোয় আনন্দ করবে তবে কেন্দ্রের এই নতুন নির্দেশিকা অনেকের কপালে যে ভাঁজ ফেলবে তা বলা যায় । শুধু এখানেই থেমে নেই সমস্যা , সঙ্গে রয়েছে হাইকোর্টে করা এক জনস্বার্থ মামলা । এই মামলায় গত বছরের ন্যায় নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য কেস করা হয়েছে তাই এখন হাইকোর্টের দিকে যে মানুষের নজর থাকবে তা অনস্বীকার্য । ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি পুনরায় কোন নিষেধাজ্ঞা জারি করে কিনা তাও চিন্তার বিষয় । সব মিলিয়ে বাঙালির দুর্গাপুজোর ভবিষ্যতে যে আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে তা বলা যায় ।

এর মাঝে এক স্বাস্থ্যকর্তা জানিয়েছেন এবছর যেহেতু তৃতীয় ঢেউয়ের সর্তকতা রয়েছে তাই কলকাতার মত জনবহুল এলাকায় জনসমাগম এড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করা সকলের কর্তব্য এবং করোনা পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক হয় তবে পরের বছর আবার আনন্দ করা যাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি ।