IMG_20211213_002746

কোভিড চলাকালীন দূরপাল্লার ট্রেনে বন্ধ রাখা হয়েছিল কিছু বিশেষ পরিষেবা। কম্বল বিছানা দেওয়া বন্ধ করেছিল রেল। এখন শীতের মরসুম। ট্রেনচলাচলও অনেকটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। কাজেই সকলেরই প্রশ্ন, শীতকালীন ট্রেন সফরে বিছানা কম্বল ইত্যাদি দেওয়া হবে কি হবেনা?


শীতকালীন অধিবেশনের শুরুতেই সংসদে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানালেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেছেন, “কোভিডের কথা মাথায় রেখেই রেলযাত্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে লিনেন ও কম্বল দেওয়ার সিস্টেম। ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে এই ব্যবস্থা একইরকম বজায় রাখা হচ্ছে। কোভিড ১৯- এর সংক্রমণ থেকে বাঁচতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।”

সুতরাং রেলযাত্রার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও, নতুন করে সংক্রমণ এড়াতে কম্বল ও বিছানা না দেওয়ার সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।
অপরপক্ষে, যাত্রীদের জন্যে নতুন কিছু সুবিধাও যুক্ত হতে চলেছে রেল ব্যবস্থায়। যেমন রেলওয়ে অ্যাটেন্ড্যান্ট। এর আগেই বিমানের নিয়মের মতোই বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনেও মহিলা সেবিকা (Rail Hostess) নিয়োগের কথা জানিয়েছে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ।

তেমনই, যাত্রীদের বিশেষ দেখভালের জন্য রেলওয়ে অ্যাটেন্ড্যান্ট রাখা হচ্ছে। বন্দেভারত, গতিমান, তেজশ এক্সপ্রেসে মহিলা ও পুরুষ উভয় অ্যাটেন্ড্যান্টই পাবেন যাত্রীরা।

তীর্থযাত্রীদের জন্য নিরামিষ খাবারের বন্দোবস্তের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ। ‘রামায়ণ এক্সপ্রেস’-এর মতো বিশেষ ট্রেনগুলোতে এই ব্যবস্থা আগেই চালু করা হয়েছিল। এবার সেই প্রচেষ্টাকেই আরো প্রসারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


এই ‘তীর্থযাত্রাকারী’ ট্রেনগুলি ‘সাত্ত্বিক কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার’ সার্টিফিকেট প্রাপ্ত হয়েছে। ‘সাত্ত্বিক’ ট্রেনগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘বন্দেভারত’ এক্সপ্রেস।

যেসব তীর্থযাত্রীরা সম্পূর্ণরূপে নিরামিষ আহার চান, এই সাত্ত্বিক ট্রেনে সেই নিরামিষ আহার পাবেন। আইআরসিটিসি (IRCTC) এবং সাত্ত্বিক কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার (SCI) যৌথ উদ্যোগে এই ব্যবস্থা নেওয়া হতে চলেছে।

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com