images (58) (3)

কয়লা সঙ্কটের মুখে পড়তে চলেছে ভারত।দেশ জুড়ে বিদ্যুৎসঙ্কটের আশঙ্কা বাড়ছে।রিপোর্টে উঠে আসছে দেশের কয়লাচালিত তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে সেপ্টেম্বরের মাসের শেষে দিন  চারেকের মতো কয়লা মজুত ছিল। কয়েক বছরের মধ্যে যেটা কিনা সবচেয়ে কম পরিমান।কয়লার ঘাটতির কারণে দেশের অর্ধেকের বেশি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রেগুলি সতর্কতা জারি করেছে। 

চীনে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎসঙ্কট তীব্র হয়ে উঠেছে।ভারতও এবার সেই সঙ্কটের মুখোমুখি হবে কি না তা নিয়ে জোরকদমে চর্চা শুরু হয়েছে। ভারতের সামনে দুটি চ্যালেঞ্জ বর্তমান।এক – অতিমারির কাটিয়ে উঠে বিভিন্ন শিল্পসংস্থা খুলেছে।যার ফলে বিদ্যুতের বিপুল চাহিদা বেড়েছে।

দুই-বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও কয়লার উৎপাদনে ঘাটতি যথেষ্ট ঘাটতি দেখা দিয়েছে।অতি বর্ষণের কারণে কয়লাখনিগুলিতে কাজ করা সম্ভব হয়নি শ্রমিকদের।যার ফলেও কয়লার ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।  আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লার মূল‍্য বৃদ্ধি হওয়ায় দেশীয় উৎপাদনের উপর ভরসা করতে হচ্ছে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে।

এ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিক পরিস্থতিতে ফিরতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।   তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশের ৭০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ক্রিসিল লিমিটেড-এর শীর্ষ আধিকারিক প্রণব মাস্টার জানিয়েছেন,  সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দেশের কিছু জায়গায় বিদ্যুতের দাম বাড়ার আশঙ্খা। তার জন্য গ্রাহকদের  অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। তিনি এও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লার মূল‍্য বৃদ্ধি,কয়লা আমদানির ক্ষেত্রেও খরচ বেড়েছে গেছে।

যার জন‍্য দেশের কয়লা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির উপর বিপুল পরিমানে চাপ পড়েছে।বৃষ্টি কমলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে প্রণববাবু জানিয়েছেন। ভারতের কয়লা মন্ত্রকের সচিব অনিল কুমার জৈন জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে কয়লা উৎপাদন ব্যাপক ভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। যার জেরে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে বর্তমানে ৬০-৮০ হাজার টন কয়লার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।