Tripura-2-16368274683x2

ভোটের আগেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত ত্রিপুরায়। অভিযোগের নিশানা আবারো বিজেপির দিকে। তৃণমূল বিধায়কদের ঘর কেন দেওয়া হয়েছে? এই প্রশ্ন করতে একদল বিজেপি কর্মী বাইক নিয়ে হোটেলে চড়াও হয় বলেই অভিযোগ।


দুদিন আগেই সুস্মিতা দেবের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি.ওয়াই. চন্দ্রচূড় কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন ত্রিপুরার বিপ্লব দেব সরকারকে।

মামলার রায়ে তিনি বলেছিলেন, “কোনও রাজনৈতিক দলকে শান্তিপূর্ণ প্রচারে বাধা দেওয়া চলবেনা। প্রত্যেকের নিরাপত্তার দায়িত্ব প্রশাসনকে সুনিশ্চিত করতে হবে”। তার ঠিক পরে পরেই আবারো হুমকির অভিযোগ শাসকদলের কর্মীদের দিকে।


ত্রিপুরায় পুরভোটের প্রচারকার্যে মোট ৯ জন নেতাকে পাঠিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তেলিয়ামুড়ার দায়িত্বে থাকা   ২ বিধায়ক অভিজিৎ সিনহা ও খোকন দাস স্থানীয় একটি হোটেলে ওঠেন। এখান থেকেই প্রচারের কাজে বেরিয়েছিলেন। ঠিক সেই সময়ই বাইকে চেপে বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী হোটেলে এসে রীতিমতো চড়াও হয়। বিধায়ক অভিজিৎ সিনহার মতে এদিন দলবল নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করতেই এসেছিল তারা। দুই বিধায়ককে হোটেলে না পেয়ে তারা হোটেল মালিককে শাসিয়ে যায়। যার ফলে ভীতসন্ত্রস্ত হোটেল মালিক তৃণমূল বিধায়কদের অন্যত্র উঠে যেতে অনুরোধ করেন।


এতে অবশ্য দমানো যায়নি তৃণমূল বিধায়কদের। এদিন অভিজিৎ সিনহা তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তেলিয়ামুড়া থানার সামনে ধর্না দেন।

অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পদক্ষেপ নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার ওসি। হোটেলে এসে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সমস্ত ব্যাপার তদারকি করে হোটেল মালিককে আশ্বস্ত করে বোঝান তাঁর কোনও ভয়ের কারণ নেই। অভিজিৎ সিনহাও বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে আমরা যেখানে খুশি গিয়ে প্রচার করতে পারি। প্রয়োজন হলে রাস্তায় থাকব, তবু তেলিয়ামুড়া ছেড়ে যাবনা”।


তৃণমূলের অভিযোগ সমেত গোটা ব্যাপারটাই অবশ্য অস্বীকার করে বিজেপি নেতা নব্যেন্দু ভট্টাচার্য বলেছেন, “তৃণমূলের হোটেলও কি আমরা ঠিক করে দেবো? এরা নানারকম গালগল্প ফাঁদছে”।

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com