কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

ত্রাণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছে : রাজ্যসরকারের কাছে কৈফিয়ৎ চাইল হাইকোর্ট

Current India Features Politics

বিষয়টা ত্রানসামগ্রী নিয়ে দুর্নীতির। দুর্গত মানুষের জন্য পাঠানো ত্রাণের টাকা আত্মসাৎ মোটেই লঘু বিষয় নয়। হাইকোর্টের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ত্রাণ দুর্নীতি নিয়ে এই মনোভাবই স্পষ্ট প্রকাশ পেল।


২০২০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ত্রান পাঠিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু সেই ত্রাণ সঠিকভাবে বিলিবন্টন করা হয়নি বলেই অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের একাংশের বিরুদ্ধে। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আদালতে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল। প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এই রিপোর্ট অসমাপ্ত বলে ফিরিয়ে দেন। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর রাজ্যসরকারের কাছে নতুন রিপোর্ট চেয়েছে হাইকোর্ট।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

এই ত্রাণ সংক্রান্ত দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছিল উত্তর চব্বিশ পরগণায়। গত বছর বসিরহাট -২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত একটি গ্রামে ৫টি ট্রাক বোঝাই করে আনুমানিক ২ কোটি টাকার ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হয়। কিন্তু সেই টাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে তো পৌঁছয়নি, উল্টে সেসব সামগ্রী পাচার করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়ে যায় স্থানীয় লোকজনের হাতে। এরপর সেইসব জিনিস পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।


দোষীদের কী শাস্তি হল? এই প্রশ্ন তোলে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি।
বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবিষয়ে সোচ্চার হয়ে সংবাদমাধ্যমে জানান,”পার্টি অফিস থেকে যাদের লিস্ট গেছিল, তাদের অ্যাকাউন্টেই টাকা ঢুকেছিল, যাদের বাড়িঘর কিছুই ভাঙেনি। আর প্রকৃত যারা গরীব, ক্ষতিগ্রস্ত তাদের টাকা পাওয়ার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে”।

দিলীপ ঘোষ আরও জানান,”পঞ্চায়েত প্রধান আর তার পরিবারের সব লোকজন টাকা পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সেটা স্বীকার করেছিলেন এবং টাকা ফেরত দিতেও বলেছিলেন”।
কিন্তু টাকা ফেরত দিলেই কি সব মিটমাট হয়ে গেল! দোষীদের কী শাস্তি হবে? পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে? এই প্রশ্নই বারংবার করেছেন দিলীপ ঘোষ।

সেই সূত্র ধরেই আরও জোর গলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ” কেন্দ্রের টাকা তৃণমূল লুট করেছে” এই অভিযোগ তুলে দোষীদের অবিলম্বে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু।


এদিন হাইকোর্ট রাজ্যের পেশ করা রিপোর্ট নাকচ করে সেই বক্তব্যের সমর্থনেই মত প্রকাশ করল। ত্রাণ দুর্নীতি তে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে পরবর্তী রিপোর্টে। তবেই সে রিপোর্ট হাইকোর্টের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।