কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

ত্রিপুরাতে মহিলা সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে তৃণমূল দল

Current India Features Politics

২০২৩ – এ ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচন। এখন থেকেই তার মহরা সাজাতে তৈরি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরার ওপর পাখির চোখের মতো লক্ষ্য স্থির করে পরিকল্পনায় ব্যস্ত বাংলার মা মাটি মানুষের দল। আর বাংলার মডেলকে সামনে রেখে তৃণমূলের মূল লক্ষ্য সে রাজ্যের মহিলারাই।

শনিবার আগরতলার একটি হোটেলে মহিলাদের নিয়েই এক কর্মীসভার আয়োজন করা হয়েছিল। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, কুনাল ঘোষ , সুস্মিতা দেব উপস্থিত ছিলেন। নেওয়া হলো একাধিক কর্মসূচি।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

ত্রিপুরার ৬০ টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য হোয়াটসঅ্যাপে আলাদা আলাদা গ্রুপ খুলে দেওয়া হবে। প্রচার করা হবে বাংলার স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী, লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প গুলোর কথা। মা বোনেদের মনোবল বৃদ্ধির জন্য প্রত্যেকটি এলাকায় নিয়ম করে চালানো হবে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’।

সুস্মিতা দেব বলেন,”বাংলার মহিলাদের কীভাবে উন্নয়ন হয়েছে সে প্রচার ত্রিপুরাতেও করতে হবে। স্বনির্ভর হবার জন্য মহিলাদের রোজগারের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা দরকার”।
বাংলায় তৃণমূলের ব্যাপক সাফল্যের কারণ যে বিপুল অংশের মহিলা সমর্থক ও ভোটার , এমনটাই মনে করছেন রাজনীতিবিদদের একাংশ।


তাই ত্রিপুরার ক্ষেত্রেও সেই নীতিই অবলম্বন করা হচ্ছে। সেই সূত্র মেনেই রাজ্যের মহিলাদেরকেই দায়িত্ব তুলে নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দিলেন কাকলী ঘোষ দস্তিদার। তিনি বলেন,”মহিলারাই বাড়ির অন্দর মহলে সহজে ঢুকতে পারেন।


শুধু মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ নয়, বাড়ি বাড়ি পৌঁছে বাংলার প্রকল্পগুলোর কথা জানাতে হবে। মেয়েদের ওপর ঘটে চলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে মেয়েদেরই”।


ত্রিপুরায় তৃণমূলের প্রভাব ছড়িয়ে দেবার জন্য পরিবারে, ঘরে ঘরে বাংলার রূপশ্রী, কন্যাশ্রীকে পৌঁছে দেওয়া দরকার। আর তাই মেয়েদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্ত জরুরী , দলের নেতৃত্বেরও সেটাই মত। এভাবেই সেখানে শক্ত খুঁটি পোতা সম্ভব হয়ে উঠবে। দলের কর্মকান্ডের অংশীদার হয়ে উঠবেন রাজ্যের নিপীড়িত সাধারণ মহিলারা।

এদিন আগরতলার মহিলা বৈঠকে জমায়েত হয়েছিল প্রচুর। এমনকি পাহাড়ী অঞ্চলগুলো থেকেও সভায় হাজির হয়েছিলেন প্রচুর সংখ্যক মহিলা। আর তাতেই আশার আলো দেখছেন কাকলি, কুনাল ঘোষ, সুস্মিতা দেব-রা।