কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

‘দলবদল’ আসলে মানুষকে বিভ্রান্ত করার খেলা : বলছে সিপিএম

Current India Features Politics

মিনি ইন্ডিয়া ভবানীপুর দখল করতে মরিয়া তৃণমূল ও বিজেপি। বামেরাও প্রার্থী দিয়েছে। তাই মনে করা হচ্ছে ভবানীপুর উপনির্বাচনে চলবে ত্রিমুখী লড়াই। কিন্তু সিপিএমের বক্তব্য– আসলে লড়াই আসলে দ্বিমুখী। বিজেপি – তৃণমূল যে সিকির এপিঠ আর ওপিঠ, নিজেদের প্রচার সভায় এটা বোঝাতেই বদ্ধপরিকর সিপিএম।

২৪ জুলাইয়ে ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী রাজীব বিশ্বাসের সমর্থনে প্রচারসভায় বিজেপি – তৃণমূল সম্পর্কে এমন মন্তব্যই করলেন সিপিএম নেতৃবৃন্দ। গুপ্তামোড়ে অনুষ্ঠিত ওই সভায় রাজীব বিশ্বাস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম, এসএফআইয়ের নেত্রী দীপ্সিতা ধর প্রমুখ।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

মহম্মদ সেলিম তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টতই বলেন,”অনেক মানুষ ভেবেছিলেন বিজেপিকে ভোট দিলেই তৃণমূলের বিকল্প পাওয়া যাবে। কিন্তু ভোটের ফলাফলের পর দেখা গেল বিজেপির নেতা, বিধায়করা দলে দলে তৃণমূলে গিয়ে যোগ দিচ্ছেন। ফলাফল যদি উল্টো হত, তাহলেও একই ঘটনা বিপরীত দিক থেকে ঘটত ” এমনটাই দাবি করছেন মহম্মদ সেলিম।
অর্থাৎ তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হলে তৃণমূলের ঝান্ডাধারীরাই বিজেপিতে গিয়ে দলে দলে যোগ দিতেন।


এই দলবদল আসলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার এক জঘন্য রাজনৈতিক খেলা। আসলে তৃণমূল ও বিজেপির নীতিগত কোনো তফাৎ নেই। এই দলবদলের বত্রিশভাজা মিশেলকেই ‘দুষ্টচক্র’ বলছেন সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম।


এর আগেকার প্রচারসভাতেও সিপিএম নেতৃবৃন্দ বলেছিলেন ,”একদিকে বিজেপি পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে চলেছে। আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। উল্টোদিকে তৃণমূল শুধুই সস্তার চমক দেখানো রাজনীতি করে চলেছে”।
তৃণমূলের জনহিতকর প্রকল্পগুলিকেই কি তৃণমূলের ‘চমক’ দেখানো বলছেন সিপিএম নেতৃবৃন্দ! সেটা অবশ্য ঠিক পরিস্কার নয়। মোট কথা বিজেপি হঠাতে তৃণমূল নয়, বামেরাই নির্ভরযোগ্য শক্তিশালী দল এটাই প্রার্থী রাজীব বিশ্বাসের সমর্থনে বলছেন তাঁরা।

ওদিকে শামসেরগঞ্জেও আর এক প্রচার সভায় সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী প্রায় এক সুরেই বলেছেন, বিজেপিকে ভোট দিয়ে জেতালে তৃণমূলের লোকজন পাল্টা বিজেপিতে যোগ দেবেননা, তার কি নিশ্চয়তা আছে? আবার উল্টোটাও ঘটতে পারে, এখন যেমন ‘দলবদল’ চলছে। সুজন চক্রবর্তী বলতে চেয়েছেন এমনটাই।


বিজেপি – তৃণমূলের দল পাল্টাপাল্টি খেলাকেই উপনির্বাচনে নিজেদের সপক্ষে হাতিয়ার করে, মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হতে চাইছেন বামেরা।