images (47)

ঘূর্ণিঝড় থেকে রেহাই মিলছে না কিছুতেই একের পর এক লেগেই রয়েছে।তবে এখন ই কোন রেহাই মিলছে না।ঘূর্ণিঝড় গুলাবের লেজ থেকেই উত্তর আরব সাগরে উৎপত্তি হয়েছে শাহিন নামে এক ঘূর্ণিঝড়ের।

১২ ঘণ্টার মধ্যে বেশ শক্তিশালী হবে এই ঘূর্ণিঝড়।এর প্রভাবের জন‍্য সাতটি রাজ‍্যে আগামী তিনদিন অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল মৌসম ভবন। মৌসম দপ্তর সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে গুলাব থেকে শাহিন এর সৃষ্টি হয়েছে।  ২৬ সেপ্টেম্বর গুলাব ওড়িশা ও অন্ধ্রের উপকূলে তাণ্ডব চালিয়ে যায়।দুর্যোগে।প্রবল ক্ষয়ক্ষতিও হয়। ঘূর্ণিঝড় শাহিনের পূর্বেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে  কেরল, কর্ণাটক, গুজরাট, তামিলনাড়ু, সিকিম, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে।

শাহিনের প্রভাবে আগামী তিন দিন আতি থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হবে ঐ রাজ্যগুলিতে।শুক্রবার রাত থেকেই বা শনিবার সকালবেলা অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে শাহিন। নতুন এই ঘূর্ণিঝড় ক্রমশ উত্তর আরব সাগর থেকে পাকিস্তান হয়ে ইরানের উপকূলে সরে যাচ্ছ।আরব সাগরে ৯৬ থেকে ১২০ কিলোমিটারের গতিতে বইতে পারে এই শাহিন।এই রকম পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্র, গোয়া, কঙ্কন, মধ্যপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে।পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়টি ওমানের দিকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

২০১৮ সালে এমনই এক ঘূর্ণিঝড়ের  সাক্ষী ছিল দেশ।তখন তামিলনাড়ু-পুদুচেরি উপকূলে আছড়ে পড়েছিল সাইক্লোন গাজা।পরবর্তীতে শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপের রূপ নেন।সেই নিম্নচাপই  আরব সাগরে নতুন করে জন্ম দেয়  আরও একটি সাইক্লোনের।  একের পর এক দুর্যোগে মানুষে দিশাহারা অবস্থা।করোনা তো আছেই ,তারপর  ঘূর্ণিঝড়।এদিকে পূর্বের ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টির ফলে বন‍্যা দেখা দিয়েছে।এ যেন প্রকৃতি প্রতিশোধ নিয়েই চলেছে।কবে কমবে প্রকৃতির রোষ।