কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

নির্বাচনের আগেই গোয়ায় সরকার পতনের ইঙ্গিত : মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, মমতা পৌঁছনোর আগেই

Current India Features Politics

তখনও মমতা গোয়ায় পা রাখেননি। ট্যুইটারে আছড়ে পড়ল তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ ব্রায়েনের একটি বিস্ফোরক ভিডিও। যা নিয়ে সেদিন থেকেই রাজনৈতিক মহলে হইচই শুরু হয়ে যায়। সরাস‌রি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে গোয়ার বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।

এরপর মমতা গেলেন। কালো পতাকা দিয়ে তাঁর গতি রোখা গেলনা। অসামান্য মাটির ভাষার বক্তৃতায় বাংলার মেয়ে কখন যে গোয়ার মেয়েতে রূপান্তরিত হলেন বুঝতেই পারলনা কেউ!

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304


ডেরেক তাঁর ওই ট্যুইটে গোয়ার প্রাক্তন রাজ্যপালের বক্তব্যকেও সম্পর্কিত করেছেন। উল্লেখ্য, একটি সংবাদ মাধ্যমে প্রাক্তন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক বলেন, “গোয়া সরকারের সর্বস্তরে দুর্নীতি। লকডাউনের সময়েও খনির মালপত্র পরিবহনে ট্রাক চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আর সেটাই কোভিড বাড়ার অন্যতম কারণ”।


এদিন সত্যপালের ওই বক্তব্যেই সূত্র ধরেই ডেরেক ট্যুইটারে ভিডিও করে বক্তব্য রাখেন এবং বলেন “গোয়ার সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত এটা প্রাক্তন রাজ্যপাল বলেছেন, যিনি এখন মেঘালয়ের রাজ্যপাল। আর তাঁকে নিয়োগ করেছিল বিজেপি সরকার। ৭২ ঘন্টা সময় দেওয়া হল গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীকে। তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস”। উক্ত এই বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের কাছে তদন্তের আবেদনও জানিয়েছেন ডেরেক ও ‘ ব্রায়েন।


প্রসঙ্গত, ওইদিনই কোচবিহারে দিনহাটার প্রচারসভায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আগামী তিন মাসের মধ্যে গোয়ায় নির্বাচন। মোট ৪০ টি বিধানসভা আসন আছে। গোয়ায় শূন্য থেকে শুরু করেছে তৃণমূল। আপনারা লিখে রাখুন, তিনমাসের মধ্যেই গোয়ায় জোড়াফুল ফুটবে। তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে”।