locked-gate

ফাঁকা পড়ে থাকছে ক্লাসরুম। একজনও পড়ুয়া আসছেনা। সারা রাজ্যে এমন ৮৯টি স্কুল আপাতত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। বন্ধ স্কুলগুলি থেকে প্রায় ৩১১ জন শিক্ষক শিক্ষিকাকে বদলি করা হচ্ছে অন্য স্কুলে। ইতিমধ্যেই ১৭০ জনের বদলির নোটিশও জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদী বন্ধের কারণেই কি অনীহা প্রকাশ করছে পড়ুয়া এবং অভিভাবকরা ? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ?
৩১১ জন শিক্ষক শিক্ষিকার বদলির খবর প্রকাশ হওয়ার পরেই স্কুল বন্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসে।


কিন্তু কেন বন্ধ হতে যাচ্ছে ৮৯ টি প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুল? খতিয়ে দেখা হচ্ছে তার কারণ। আপাতত এই স্কুলগুলি কার্যত সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার ফলেই এই সিদ্ধান্ত। তবে শুধু কোভিডের কারণে নয়, রাজ্যের শনাক্ত করা বেশ কিছু সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা এমনিই ধীরে ধীরে কমে আসছিল। তাছাড়াও বাচ্চাদের ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে ভর্তি করানোর ঝোঁক বেড়ে যাওয়ায় সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিক স্কুলগুলি বন্ধ হওয়ার একটা কারণ বলেও মনে করা হচ্ছে।


গোটা রাজ্যে বন্ধ হতে চলা এই স্কুলের সংখ্যা হাওড়া ও হুগলীতেই সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও বীরভূম, বাঁকুরা , দক্ষিণ ২৪ পরগণা , কলকাতা এবং আলিপুরদুয়ারেও বেশকিছু স্কুল বন্ধ হতে চলেছে। শিক্ষক শিক্ষিকাদের বদলির পাশাপাশি , ওইসব বন্ধ স্কুলগুলোকে শিক্ষামূলক প্রয়োজনে ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রক। তবে অন্য স্কুল যদি সেখানকার ক্লাসরুমকে তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করতে চায় , তবে তা করতে পারে , সে রাস্তাও খোলা রাখা হচ্ছে। পরবর্তী কালে এই বন্ধ হওয়া স্কুলগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে। আপাতত ৮৯টি বন্ধ হওয়া স্কুলগুলোর পরিচাল ভার সরকারি শিক্ষা আধিকারিকদের ওপরেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com