কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

বাংলাদেশে হিন্দুমূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে সরব বিজেপি : মমতার নীরবতা ঘিরে কটাক্ষ

Current India Features International Politics

সামনেই উপনির্বাচন। বিজেপির পায়ের তলার মাটি আলগা। বাংলাদেশ ইস্যুটাই ভোট তরণী পারাপারের একমাত্র ভরসা — দলবল নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে কোমর বেঁধে প্রতিবাদে নেমে পড়েছেন, তাতে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।


গোটা রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ মিছিলে নেমেছে বিজেপি দল। প্রতিবাদের রুটম্যাপ কাকদ্বীপ থেকে শুরু করে কোচবিহার সমস্ত ‘ভোট প্রাপ্য’ এলাকা। চরম মুসলিমদের মূর্তি ভাঙার পাটকেলি জবাব দিয়ে চরম হিন্দুত্বে সুড়সুড়ি দিয়েই কি তাঁরা ভোট আদায় করতে চান? প্রশ্ন করছেন কেউ কেউ।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304
দলবল নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে নেমে পড়েছেন শুভেন্দু


বাংলাদেশের দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি ব্যাপারটা বিজেপির কাছে ঠিক যেন একটা মিশন, শুভেন্দু অধিকারীর পদক্ষেপ সেটাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। এদিন কুমোরটুলির ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সদলবলে পূজো দিতে যান তিনি। এরপর কলকাতার পার্কসার্কাস অঞ্চলে বাংলাদেশের উপ-দূতাবাসে যান। সেখানে গিয়ে উপ-রাজদূতের সাথে মুখোমুখি বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী।

উপ-রাজদূতের সাথে বৈঠক


“বাংলাদেশের পরিস্থিতি ‘৭১-এর চেয়েও ভয়াবহ “(!!!) শুভেন্দু বাবুর বক্তব্য এমনটাই। এই বক্তব্য শুনে ইতিহাসের অধ্যাপকরা নাকি পাতা ওল্টাতে শুরু করে দিয়েছেন!


সে যে যা পারেন করুন। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই উদাহরণ তুলেই সংবাদ মাধ্যমকে এমন কিছু তথ্য দিয়েছেন যা উপ-রাজদূত নিজেই জানেননা। তিনি বলেন, “গতরাতে মৎস্যজীবীদের দুটি গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৯ জন হিন্দু শহীদ হয়েছেন। আর কোনো সংখ্যালঘুদের যাতে প্রাণ না যায় বাংলাদেশ সরকারের সেটা দেখা কর্তব্য, উপ-রাজদূতকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছি”।

শুভেন্দু অধিকারীর ট্যুইট

শুভেন্দু বাবু দাবি করেছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর অত্যাচার অবিলম্বে বন্ধ না হলে তিনি হিলি আর পেট্রোপোলে গিয়ে শুয়ে থাকবেন ।


রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেননা শুভেন্দু অধিকারী। প্রকাশ্যেই বলেছেন, “তৃণমূলকে ঘুমোতে বলুন”। প্রশ্ন করেছেন, “বাংলাদেশের ঘটনায় আজ মমতা ব্যানার্জী চুপ কেন?”
এর উত্তরও অবশ্য তিনি নিজেই দিয়েছেন, “মমতা ব্যানার্জী যে ভোটটা পেয়েছেন তা আসলে সংখ্যাগুরুদের সংখ্যালঘু ভোট। আর সেই ভোটব্যাঙ্ক বাঁচাতেই পাঁচদিন ধরে সাইলেন্ট। ২০১৯ সালে মমতা ব্যানার্জী বলেছিলেন যে গরু দুধ দেয় তার লাথিও খাবো। সেই দুধেল গাইরা চটে যাবে ভোটব্যাঙ্ক নড়ে যাবে তাই মমতা নিশ্চুপ। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সব দেখছে “।


হ্যাঁ, সত্যিই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখছে। আজ থেকে নয়। বছরের পর বছর ধরে ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক নেতাদের দলাদলি আর ভোটের রাজনীতি দেখছে সবই। কিন্তু শুভেন্দু বাবু “সংখ্যাগুরুদের সংখ্যালঘু ভোট” বলতে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন সেটা অনেকের কাছেই পরিস্কার নয়। বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাইছে রাজনৈতিক মহল।