pegasus

গত বৃহস্পতিবার বাদল অধিবেশনের ঘটনা টির পর শুক্রবার শান্তনু সেন কে সাস্পেন্ড করা হয়েছিল বাদল অধিবেশনের শেষ দিন পর্যন্ত।এই সিধান্ত টি শুনে বেশ কিছু টা ক্ষিপ্ত হন তৃণমূলের সাংসদ ও নেতারা।এই সব নিয়ে রীতিমত বাগযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এই দুটি দল।

বাদল অধিবেশনের শেষ দিন অবধি সাসপেন্ড করা হয় শান্তনু সেন কে এই বিচার টি করেন রাজ্যসভা্র চেয়ারম্যান বঙ্কাইয়া নাইডু ফলে এর প্রতিবাদ করে তৃণমূল। ডেরেক ও’ব্রায়েন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলেন, তার বক্তব্য বৃহস্পতিবার আশ্বিনি বৈষ্ণের হাত থেকে বক্তৃতার কাগজ কেড়ে সেটি ছিঁড়ে ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ন সিংহের উপর ফেলেন শান্তনু যার জন্য তাকে সাসপেন্ড করা হয়। কিন্তু এই ঘটনাটি ঘটার পর হারদীপ সিং যখন নিজের চেয়ার ছেড়ে সান্তনুর দিকে ছুটে আসলেন এবং তার উপর হামলা করলেন অথবা সভার শেষে অভদ্র ভাষায় গালিগালাচ করলেন এত কিছুর পরও কি ভাবে বিজেপি ছাড় পেয়েগেল? কেনই বা তৃণমূল শাস্তি পেলো?

VoiceBharat News hsp

শান্তনুর বিরুদ্ধে এই সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে আর্জি জানান তৃণমূলের দলনেতা কিন্তু এই বিষয় নিয়ে কোন কর্ণপাত কর হয়নি। আসলে অভদ্র আচরন করলে একমাত্র বিজেপি ছাড়া অন্য কেউ বাদ যাবেনা শাস্তি থেকে হয়ত বা এই কথা টি বুঝিয়ে দিয়েছেন বেঙ্কাইয়া নাইডু।

এর পরেই সংসদের বাইরে বঙ্গ-সংস্কৃতি নিয়ে ব্যাঙ্গ করেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী আশ্বিনি বৈষ্ণ। ভোট পর্বতী হিংসা নিয়েও কথা তলেন তিনি। তবে ভোট পর্বতী হিংসা কে বঙ্গসংস্কৃতির সাথে তুলনা করে বাংলাকেই অপমান করতে চাইছেন বিজেপি নেতা? বিজেপির বেশ কিছু মন্তব্যে বাংলা কে অপমান করতে দেখা গেছে বহুবার।

এর পরে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইট করে পাল্টা জবাব দেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রিকে।

এছাড়া তৃণমূলের সাধারন সম্পাদক কুনাল ঘোষ টুইটের মাধ্যমে এর জবাব দেন।

তৃণমূলের সাংসদ শান্তনু সেনকে সাসপেন্ড করার পর কেন বিজেপি নেতার অসাংসদিয় আচরনের কারনে হরদীপ সিং কে সাসপেন্ড করা হল না এটা নিয়ে খিপ্ত তৃণমূল। পেগাসাস বিতর্ক নিয়ে তৃণমূল সংসদে মোদী সরকারে বিরুদ্ধে চড়াও হবে, সেটা ২১ জুলাইয়ের ভার্চুয়াল সভা থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এতে তৃণমূল একাই নয় এই ইস্যু তে মোদীর বিরুদ্ধে আছে অন্যান দলেরাও।

By Nisha Das

Nisha Das, Publisher Of VoiceBharat News nisha@voicebharat.com