কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

বামেদের ব্রহ্মাস্ত্র সৌমেন মাহাতো : যুদ্ধক্ষেত্র শান্তিপুর উপনির্বাচন

Current India Features Politics

ভবানীপুর, শামসেরগঞ্জ ও জঙ্গীপুরে বামেরা ধুয়েমুছে সাফ। এখনও বাকি ৪ কেন্দ্র। তার মধ্যে একমাত্র শান্তিপুরেই বামেরা কিছুটা হলেও উজ্জ্বল সম্ভবনা দেখছেন। তার একটিই কারণ, প্রার্থীর নাম সৌমেন মাহাতো। কে এই সৌমেন মাহাতো? দেখে নেওয়া যাক।
যুবনেতা সৌমেন মাহাতো বর্তমানে সিপিএম শান্তিপুর লোকাল কমিটির সম্পাদক। বহু সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন। ফলে এলাকায় বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে।


১৯৯৫ থেকে ছাত্রসংগঠন এসএফআই করেছেন সৌমেন, পরবর্তীকালে যুবসংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের সদস্য এবং যথাক্রমে ১৯৯৯ সালে সিপিআইএম পার্টি সদস্য হন।
২০০৫ সাল থেকে পরপর তিন বছর এলাকার কাউন্সিলর ছিলেন সৌমেন মাহাতো। ফলে নিজের কাজের জন্য অঞ্চলের মানুষের পরিচিত মুখ তিনি।
বর্তমান ক্ষয়িষ্ণু সাংগঠনিক পরিস্থিতিতে এই সৌমেন মাহাতোকেই হাতিয়ার করছে বামেরা।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304


লড়াই কঠিন। কেননা বিগত কয়েক বছরে শান্তিপুরে সিপিএমের সংগঠন নেই বললেই চলে। ২০১৬ সালে বাম – কংগ্রেস জোটে জিতলেও তারপর থেকে সেখানে লাগাতার পরাজিতই হতে থাকে বামেরা। এছাড়াও রয়েছে বামফ্রন্টের অন্তর্দ্বন্দ্ব।

বামফ্রন্টের ছোট শরিক আরসিপিআইয়ের সাথে বড় শরিক সিপিআইএমের ঝগড়াএবং নির্দল প্রার্থী দাঁড় করানো নিয়ে বিবাদের ফলেই শান্তিপুরে ক্রমশ বামেরা দুর্বল হয়েছে। এবার যদিও সমঝোতা করে নিতেই চাইছেন তারা। বহু বছর পর সিপিআইএম প্রার্থী দিতে চলেছে শান্তিপুরে। আরসিপিআইয়ের জেলা কমিটির মেম্বার অভিজিৎ চক্রবর্তী জানিয়েছেন,”বামফ্রন্টের মধ্যে আলোচনার পরেই প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে”।


শান্তিপুরে তাই একমাত্র প্রার্থী সৌমেন মাহাতোর একার পরিচিতিই বামেদের ভরসা। প্রার্থী অবশ্য বেশি কিছু বলছেননা। মানুষের ওপরই সিদ্ধান্ত দিয়ে বলেছেন, “মানুষ তৃণমূল , বিজেপি  দুই দলকেই দেখছে। এবার বামেদের সঙ্গেই তারা থাকবেন”।
দেখা যাক ৩০ অক্টোবর শান্তিপুরের মানুষ কী জবাব দেন!