কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে : এবার খোদ কলকাতায়

Current India Features Politics

একাধিক ইস্যুতে দলের সহকর্মীদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ নিয়ে তৃণমূলকে বরাবরই কটাক্ষ করে আসছে বিজেপি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে বিজেপি শিবিরের কোন্দলই চোখে পড়ছে সকলের সামনে। কিছুদিন আগেই কাটোয়ায় ক্ষুব্ধ কর্মীদের সঙ্গে নেতাদের সংঘর্ষের ফলে সভা ভন্ডুল হয়ে যাওয়ায় বেইজ্জতির মুখে পড়েছেন সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ। এবার সেই পদ্ধতি অনুসরণ করল কলকাতার বিজেপি শিবির। দক্ষিণ কলকাতার জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ লিখে বড়সড় পোস্টার ও ফেস্টুন টাঙিয়ে দিলেন জেলা কর্মীরা। এই পোস্টার দেখে রাজনৈতিক মহলে শনিবার সাতসকালেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়।


দক্ষিণ কলকাতার জেলা বিজেপির সভাপতি শংকর শিকদারের ওপর অনেকদিন ধরেই ক্ষুব্ধ কলকাতার গেরুয়া ব্যাটেলিয়ন। সম্প্রতি সেই ক্ষোভ ন্যক্কারজনক ভাষায় কলকাতার  প্রকাশ্য রাস্তায় ছবির মতো ফুটে উঠল শনিবার ভোরে। আলিপুর ন্যাশনাল লাইব্রেরির সামনের দেয়ালগুলোয় পোস্টার সাঁটিয়ে, ব্যানারে ফেস্টুনে ছয়লাপ করে দিয়েছে বিজেপি দল।
সরাসরি আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বকে সচেতন করে দেওয়া হয়েছে ওই ব্যানার মারফত লিখিত বয়ানে। 

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304


শংকর শিকদারের প্রতি বিক্ষোভ অনেকদিনের। বিধানসভার প্রার্থীকে হুমকি দেওয়ার পর থেকেই দলের সাথে বিবাদ চরমে পৌঁছয়। এদিন বিজেপির ফেস্টুনে জেলা সভাপতির ছবিসমেত লেখা হয়েছে — “কলকাতা কর্পোরেশনের টিকিট চড়া দামে বিক্রী করে দেবার নায়ক শংকর শিকদার হায় হায় “।


শনিবারই ন্যশনাল লাইব্রেরির অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভায় সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষের আসার কথা ছিল। রাজ্য ও সর্বভারতীয় ওই নেতৃত্বদের চোখে পড়ার জন্যই ন্যশনাল লাইব্রেরির সামনে এইসব ফেস্টুন ও পোস্টার দেওয়া হয়েছে, এমনটাই অনুমান।


যদিও পুরসভা ভোট সম্পর্কিত আর্থিক তছরুপের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন শংকর শিকদার। তাঁর মতে, “গত বিধানসভা নির্বাচনে যারা টিকিট পায়নি, অথবা দল ছেড়ে চলে গেছে তারাই এই বদনাম করছে। আমার বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের কোনো প্রমাণ নিয়ে আসুক কেউ, তাহলে দল যে শাস্তি দেবে আমি মাথা পেতে নেব”।


শংকর শিকদারের প্রতি এই অভিযোগ সত্যি না মিথ্যে সেটা তাঁর দলের নেতৃত্বই ঠিক করবেন। তবে গোটা ঘটনায় বিজেপি শিবিরের অন্দরমহলের ফাটলের ছবিটাই আরো একবার সকলের সামনে এসে দলের ভাবমূর্তিতে কালি ছিটিয়ে গেল, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।