কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস – তৃণমূল ঐক্য নিয়ে সংশয় : মুখপত্রে কংগ্রেসকে তুলোধোনা করল তৃণমূল

Current India Features Politics

“বাংলায় তৃণমূলই আসল কংগ্রেস”– এমন দাবিই করে বসল হয়েছে তৃণমূলের দৈনিক মুখপত্র। আরও বলা হয়েছে, “তৃণমূলকে হারাতে এরা সিপিএমের সাথে জোট করে বিজেপির সুবিধা করে দিয়েছে”।
শনিবারের মুখপত্রের এই সম্পাদকীয় পড়ে রাজনৈতিক মহলের সংশয় — ভবিষ্যতে বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে যে জোট বাঁধার কথা বলা হচ্ছে তাতে তৃণমূল ও কংগ্রেস আদৌ একসাথে থাকবে কি!

আগস্ট মাসেই দিল্লী গিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জী। ওই বৈঠকেই ‘বিজেপি বিরোধী ঐক্য’ নিয়ে সনিয়া গান্ধীর সাথে দীর্ঘ আলোচনা হয়। যেকারণে আসন্ন উপনির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা ব্যানার্জীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দেয়নি কংগ্রেস। এই ইস্যুতেই ঘটে গেল কংগ্রেসের সাথে সিপিএমের বিচ্ছেদ। সেই তৃণমূলের মুখপত্রে হঠাৎ এহেন বক্তব্য ধন্দে ফেলছে বৈকি!

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

একটি রাজনৈতিক দলের মুখপত্রের ‘সম্পাদকীয়’তে ছাপা এই বক্তব্যকে নিশ্চিতভাবেই  দলের বক্তব্য বলেই ধরে নেওয়া যায়।
মুখপত্রের ওই সম্পাদকীয়তে দাবি করেছে তৃণমূল –“এই বাংলায় তৃণমূলই কংগ্রেসের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। পচা ডোবা আজ অপ্রাস‌ঙ্গিক।”

কংগ্রেসকে ‘পচা ডোবার’ সাথে তুলনা করে নিজেদের প্রাধান্য বুঝিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল। বারবার মনে করানো হয়েছে “বিধানসভায় কংগ্রেস শূন্য”। মালদায় কংগ্রেসের অধিকাংশ ভোটই যে তৃণমূলের দিকে এসেছে সেটাও উল্লেখ করে বাংলায় তৃণমূলই যে বিজেপির বিরুদ্ধে একমাত্র শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী — এটাই বোঝানো হয়েছে।

যদিও কংগ্রেসকে একেবারে বাদ দিয়ে চলার কথাও ভাবছেনা তৃণমূল। এই সম্পাদকীয় কলামে কংগ্রেসকে তুলোধনা করেও বলা হয়েছে ”যারা কংগ্রেস করেন, তৃণমূলে তারা স্বাগত। কংগ্রেসকে আমরা অসম্মান করিনা। কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোটের কথাও বলছিনা।  কিন্তু কংগ্রেস যদি বারবার ব্যর্থ হয়, যেমন ২০১৪-১৯ লোকসভায় বিজেপির সুবিধা হয়ে যায় — তার পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া যাবেনা”।

“ইতিহাস ধুয়ে জল খাওয়ার দিন শেষ। এখন ধর্মযুদ্ধ মাটিতে দাঁড়িয়ে পারফরমেন্সের ওপর”– পাশাপাশি বলা হয়েছে “ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধীর নামে তৃণমূলও আবেগাপ্লুত। …রাজীব গান্ধী তো এই মমতাকেই স্নেহ করতেন”।
–এই ভাষ্য প্রমাণ করছে ‘কংগ্রেস’ ব্যানারকে আসলে ব্যবহার করতেই চাইছে তৃণমূল।

এই বক্তব্যকে দ্বিচারিতা বলেই পাল্টা মুখ খুলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। প্রশ্ন করেছেন,”কংগ্রেস যদি অপ্রাস‌ঙ্গিক হয় তাহলে মমতা ব্যানার্জী দিল্লীতে সনিয়াজির সাথে বৈঠক করতে গেলেন কেন?”
এই প্রশ্নেই দ্বন্দ্ব বাড়ছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি বিরোধী ঐক্যমঞ্চে নিজেদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠাই যে তৃণমূলের আসল লক্ষ্য, আপাতত এটাই ধরে নেওয়া যায়।