1632143458_biman

বিতর্কটা ‘প্রিভেনশন অফ করাপশন অ্যাক্ট’ এর ১৯(১) ধারা নিয়ে। ওই ধারায় জনপ্রতিনিধি তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি নিয়ে কিছুদিন আগেই সোচ্চার হয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।


এই মর্মে জবাবদিহির জন্য কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডির প্রতিনিধিকে ২২ সেপ্টেম্বর তলবও করেছে বিধানসভা। নির্ধারিত সেইদিনটির আগেই পাল্টা চিঠি এসে হাজির হল ইডির তরফ থেকে। কী বক্তব্য থাকতে পারে ওই চিঠিতে?

স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টতই প্রশ্ন তুলেছিলেন ইডি ও সিবিআইয়ের তদন্ত পদ্ধতি সম্পর্কে। অভিযোগ অনুযায়ী,  কোনো জনপ্রতিনিধিকে জেরা করার আগে বিধানসভার স্পিকারের অনুমতি বাঞ্ছনীয়, যে নিয়ম ইডি ও সিবিআই দপ্তর মানছেননা। ১৪ তারিখে সর্বভারতীয় স্পিকারদের সম্মেলনেও এই প্রশ্নটি বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তুলেছিলেন।

আর এই নিয়ম লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দুই গোয়েন্দা সংস্থাকে তলব করেছিল বিধানসভা।


ইডির পাঠানো পাল্টা চিঠিতে সেই প্রসঙ্গেই কোনো বাদানুবাদ রয়েছে কিনা সেটা এখনও বোঝা যায়নি। কারণ নিয়ম বিধানসভার স্পিকারের অনুমতি ছাড়া ওই চিঠি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। যদিও বিধানসভা সূত্রে সংবাদ মাধ্যম খবর পেয়েছে ইডির দেওয়া চিঠিটি বিধানসভা সচিবের নামেই পাঠানো হয়েছে।


ইডির পাঠানো এক কন্স্টেবলের মাধ্যমে সরাসরি চিঠিটা বিধানসভার সচিব সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের হাতেই পৌঁছেছে। কিন্তু সেই মূহুর্তে সচিবালয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকায় চিঠিটি না খুলেই প্রাপ্তি স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।

ইডিকে তলবের দুই দিন আগেই বিধানসভাকে উল্টে ইডির চিঠি পাঠানোটা রহস্যময় তো বটেই! চিঠির বয়ানে কী আছে সেটাই এখন প্রকাশের অপেক্ষায়

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com