আমাদের Telegram এ ফলো করুন সবার আগে সর্বশেষ আপডেট পান Click Here

Google News এ ফলো করুন Click Here

বিরোধী দলকে ‘পরিযায়ী’ বলে বিদ্রূপ করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব

Current India Features Politics

২০২৩ যত এগিয়ে আসছে ত্রিপুরার আবহাওয়ায় ততই তৃণমূলের ঝোড়ো বাতাস ঝাপ্টা দিচ্ছে। একের পর এক অভিযোগ বাণে বিদ্ধ হচ্ছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।
এবার তিনিও কোমর বেঁধে উত্তর দিতে ময়দানে নামলেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ত্রিপুরায় গিয়ে সেখানকার মানুষজনকে আশা ভরসা যোগানো তৃণমূল দলকে তিনি ‘পরিযায়ী’ বলে বিদ্রুপ করেছেন। যদিও দলটির নাম উল্লেখ তিনি করেননি। কিন্তু পরিযায়ী শব্দটার আভিধানিক মানে ওই দলকেই ইঙ্গিত করছে।


বেকারত্ব বেরোজগারী নিয়ে তৃণমূল বেশ কিছুদিন ধরেই কটাক্ষ করে চলেছে ত্রিপুরার বিজেপি সরকারকে। পাশাপাশি ত্রিপুরার মানুষের কাছে লাগাতার প্রচারের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাংলায় মমতা ব্যানার্জির ‘দুয়ারে সরকার’ সহ একাধিক জনহিতকর প্রকল্পের অবদান।
বিপ্লব দেবও পাল্টা সমালোচনা করতে ছাড়লেননা।

তিনি স্পষ্টতই বলেছেন, “আধা রুটির স্বপ্ন দেখানো রাজনৈতিক পরিযায়ীদের ত্রিপুরার মানুষ চেনেন। এরাজ্যের পরিশ্রমী মানুষ সম্মানের সাথে রোজগার করে আস্ত রুটির বন্দোবস্ত করে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়”।


উল্লেখ্য, এর আগেও প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে ত্রিপুরার বিজেপি সরকার। তৃণমূলের ইঙ্গিতও সেই দিকেই।


ত্রিপুরার ১০ হাজারেরও বেশি অস্থায়ী শিক্ষকদের জন্য ‘স্থায়ী সমাধানের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে, সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে নিয়োগ করা হলেও কার্যত এই নিয়োগকে হাইকোর্ট অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করে। ২০১৭ সালেও সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্টের সমর্থনেই রায় দেয়।

ফলে ওই শিক্ষকদের ভবিষ্যত এখনও অন্ধকারে। তার ওপর সর্বশিক্ষা মিশনের আওতায় থাকা ৫০০০ এরও বেশি শিক্ষকের চাকরি অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে।


এবার আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব প্রতিশ্রুতি দিয়েই দাবি করেছেন,”টাকার বিনিময়ে টোকেন নয়।
স্বচ্ছ নিয়মে যোগ্য ব্যক্তিরাই চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন। রাজ্যে এখন সঠিক ব্যবস্থায় রোজগারের বিভিন্ন দরজাও খোলা হচ্ছে।”।
প্রতিশ্রুতি নাকি প্রত্যয়! মানুষের সমর্থন কোনদিকে! সেটা ভবিষ্যতে ত্রিপুরার জনগণই ঠিক করে নেবেন।