কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

বিশ্বখ্যাত টেনিস তারকা যোগ দিলেন তৃণমূলে : প্রকাশ্য ঘোষণা ‘দিদিই সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন’

Current India Features Politics Sports

দিনে দিনে তারার মিছিল হয়ে উঠছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য ছাড়িয়ে দেশব্যাপি দলের বিস্তারে সঙ্গী হচ্ছেন সেইসব তারারা। সম্প্রতি গোয়ায় এক ঝাঁক তারার উজ্জ্বল উপস্থিতিতে ঘাসফুলের ওপরই স্পটলাইট পড়েছে। তার সঙ্গে আবারো এক সাম্প্রতিক সংযোজন –বিশ্বখ্যাত টেনিস খেলোয়াড় লিয়েন্ডার পেজ।


গোয়ার ইনিংসে খেলতে নেমে প্রথমেই ছক্কা মেরেছেন মমতা ব্যানার্জী — গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফ্যালেরিওর যোগদানে। এরপর একে একে তালিকা বড় হতে শুরু করে। অভিনেত্রী ও কংগ্রেস নেত্রী নাফিসা আলি, গায়ক লাকি আলি, পপ শিল্পী রেমো ফার্নান্ডেজ। আর এবার সেই তালিকায় যোগ হল আরো একটি উজ্জ্বল নাম — লিয়েন্ডার পেজ। দলে এসেই লিয়েন্ডারের ঘোষণা “দিদি সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন “।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304


প্রথম রাজনীতিতে এলেন টেনিসের গর্ব লিয়েন্ডার, সেটাও দিদির হাত ধরেই। এ বিষয়ে চমৎকার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তিনি। গৌরবময় ইতিহাস স্মরণ করিয়ে বলেছেন ,”আমি যখন ১৪ বছর বয়সে ভারতের হয়ে টেনিস খেলতে যাই, দিদিই তখন ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন। সবসময় উৎসাহ দিতেন। আমি গত ৩০ বছর ধরে বিশ্বে আমার দেশের নাম উজ্জ্বল করতে চেষ্টা করেছি টেনিসের মাধ্যমে”। আর এর পরই আরও এক চমকপ্রদ ঘোষণা করলেন নিজের সম্পর্কে, যা সম্ভবত কেউ ভাবেননি।


তৃণমূল কংগ্রেসে রাজনীতির হাতেখড়ির সূচনায় একই সঙ্গে টেনিস প্লেয়ার হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে অবসর ঘোষণা করলেন লিয়েন্ডার পেজ। ২০২০ -এর পর আর টেনিস কোর্টে সরাস‌রি দেখা যায়নি লিয়েন্ডারকে, অবসর নেওয়ার কথাও বলেননি। এবারই প্রথম প্রকাশ্যে ঘোষণা করে বললেন, “আজ অবসরের পর আমি আন্তরিকভাবে চাইব এক মহিলা যিনি বিপুল সাহসের সাথে এগিয়ে চলেছেন তাঁর পাশে দাঁড়াতে। চাইব রাজনীতির মাধ্যমে দেশের মানুষের সেবা করতে, চেষ্টা করব যুবসমাজের হয়ে কাজ করতে “।


১৮ টা গ্র্যান্ডস্ল্যাম ও ১টি অলিম্পিক্‌স মেডেল জয়ী টেনিস প্লেয়ার এরপর যা বললেন তাতেই স্পষ্ট — মমতা ব্যানার্জীর কেমন ছবি তিনি হৃদয়ে ধারণ করেছেন। তুলে ধরলেন সেটাই, বললেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশে জাত ধর্ম বর্ণের ভিত্তিতে কোনও বিভাজন তৈরি করা যায়না। আমি সেই বৃহত্তম গণতন্ত্রের এক অংশ হতে চাই, সেই কারণে আমি দিদির সঙ্গে এসে যোগ দিয়েছি। আমার কাছে দিদি সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন “।


টেনিসের ময়দানের এক চ্যাম্পিয়ন মমতা ব্যানার্জীকেই রাজনীতির ময়দানে আসল চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে দিলেন। এরপর আর কি বলা যায়!