আমাদের Telegram এ ফলো করুন সবার আগে সর্বশেষ আপডেট পান Click Here

Google News এ ফলো করুন Click Here

ভবানীপুরের প্রচারে ‘রণং দেহী’ মমতা ব্যানার্জী : করবেন ভারত জয়

Current India Features Politics

প্রচারের প্রথমদিন থেকেই যুদ্ধের মুডে তৃণমূল নেত্রী। এদিনের প্রচার সভাতেও রণ হুঙ্কার শোনা গেল। লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও বিজেপির নেতৃবৃন্দ। বোঝাই যাচ্ছে বিনা যুদ্ধে ভবানীপুরের ‘সূচ্যগ্র জমিও ‘ তিনি ছাড়বেন না।


চক্রবেড়িয়ায় পথসভা ছিল। কোভিড বিধি মেনেই ছোট ছোট সভা করছে তৃণমূল। কিন্তু সেখানেও জনতার কানে কানে পৌঁছে যাচ্ছে মমতা বাণী, এবং সে বাণী বাণ হয়ে বিদ্ধ করছে বিরোধী বিজেপির বুকে।


“বিধানসভায় বিজেপি তিরিশটা আসনও পেতনা, প্রশাসনকে অমান্য করে গায়ের জোরে পেয়েছে” সাফ বললেন মমতা ব্যানার্জী।


ভবানীপুরে কংগ্রেস অঘোষিত ভাবেই মমতার পক্ষে। সিপিএম নিয়ে প্রায় কোনও কথাই বলছেননা মমতা। এক এবং অদ্বিতীয় লক্ষ্য হল বিজেপি।
চক্রবেড়িয়ার পথসভায় মমতা হুঙ্কার দিলেন,” আমি এখানকার সব জায়গায় মিটিং করছি। ভবানীপুর আমায় সবদিক থেকে সাহায্য করেছে, দূর্গাপূজো থেকে শুরু করে সমস্ত উৎসবেই আমি ভবানীপুর”।
আমিই ভবানীপুর — আমি মানেই ভবানীপুর, ভবানীপুর মানেই ইন্ডিয়া –এটাই কি বোঝাতে চাইছেন মমতা?
তাঁর বক্তব্যেই উঠে এসেছে এই কথার সারমর্ম।

“ভবানীপুর একটা ছোটোখাটো ভারতবর্ষ। সব রাজ্যের মানুষ এখানে থাকেন। বি ফর ভারতবর্ষ, বি ফর ভবানীপুর। ভারতবর্ষ শুরু হয় এখান থেকেই”। এই কথা বলে পরোক্ষে মমতা ব্যানার্জী বুঝিয়ে দিলেন — ভবানীপুর জয়, আসলে ছোটখাটো এক ভারত জয়।
‘মিনি ইন্ডিয়া’ ভবানীপুরে জিততে তাই মরিয়া তৃণমূল বাহিনী। শুধু ভবানীপুর নয় , বিজেপিকে কোণঠাসা করতে ত্রিপুরা – আসাম প্রসঙ্গও উঠে এল তাঁর ভাষণে। ত্রিপুরায় বিজেপির মারদাঙ্গা, অহেতুক ১৪৪ ধারা জারি ইত্যাদি লক্ষ্য করে ধারালো কথায় বিঁধিয়ে চলেছেন বিজেপিকে।


আর চেয়েছেন আশীর্বাদ। ভবানীপুরের ‘মাটিতে’ দাঁড়িয়ে সেখানকার ‘মা ও মানুষকে’ উদ্দেশ্যে করে বেশি কিছু নয়, সকলের কাছে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি। বলেছেন,”যদি আপনারা চান আমিই মুখ্যমন্ত্রী হয়ে সারা বছর আপনাদের জন্য কাজ করি তাহলে আমাকে একটি মাত্র ভোট দিয়ে জিততে সাহায্য করুন”।
‘আমাকে ‘ শব্দটায় জোর দিলেও মুখ্যমন্ত্রী যে তৃণমূল দলেরও প্রতিনিধি সেটা জানাতে অবশ্য ভোলেননি।