আমাদের Telegram এ ফলো করুন সবার আগে সর্বশেষ আপডেট পান Click Here

Google News এ ফলো করুন Click Here

kolkata Highcourt

মানবাধিকার কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ” তৃণমূল নেতাদের”

Current India Features Politics

ভোটের পর্বরতী হওয়া হিংসা নিয়ে কথা উঠেছে বহুবার এই নিয়ে রাজ্যের শাসক দলকে তোলা হয়েছে কাঠগড়ায়। মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের মতে রাজ্যে শাসক দলের নেতা রা এই ভাবে হিংসা চালিয়েছে তা সাধারন মানুষের জন্য বিপদজনক।

আসলে কি তাই? ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পরেও যত দিন না মুখ্যমন্ত্রী শপথ গ্রহন করবেন তত দিন অব্ধি এই হিংসা সামলানোর দায়িত্ব কার! এই নিয়ে কখনই মুখ খোলেনি মানবাধিকার কমিশন।

NHRC

রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার ঘটনার পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে রিপর্টে। এই রিপোর্ট অনুযায়ি নন্দীগ্রামে তৃণমূলের এজেন্ট থেকে শুরু করে রাজ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক ও অন্যান্য বিধায়কদের নাম রয়েছে দাগী দুষ্কিতী দের তালিকায়।

মানবাধিকার কমিশনের রি্পোর্টে রয়েছে পক্ষপাতিত্য এই নিয়ে অভিযোগ করে তৃণমূল।

এরই মধ্যে রিপোর্টের থেকে বেশ কিছু তৃণমূল নেতাদের নাম বেড়িয়ে আসে দাগী দুষ্কৃতী দের তালিকায়। উল্টোডাঙার জীবন সাহা, শেখ জাহাঙ্গির, র্ধমান সদরের খোকন দাস, ক্যানিংয়ের শওকত মোল্লা, দিনহাটার উদয়ন গুহ, ,নন্দীগ্রামে শেখ সুফিয়ান, সন্দেশখালির জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, নৈহাটির তৃণমূল বিধায়ক পার্থ ভৌমিক। এনাদের নাম রয়েছে দাগী দুষ্কৃতী তালিকায়।

এই রিপোর্টে নৈহাটির তৃণমূল বিধায়ক পার্থ ভৌমিকের নাম থাকায় তিনি খানিকটা বিস্মিত হয়ে বলেন আমি জীবনে কোনো মাছি অব্ধি মারনি অথচ আমার নাম রয়েছে দাগী দুষ্কৃতী তালিকায়। দীর্ঘ ২০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কলেজ ভোটে সিপিএম এর মিথ্যা কেস ছাড়া আমার নামে আর কিছুই নেই।

তিনি আরও বলেন এর পর দল যেমন বলবে সেরকমই পদক্ষেপ নেব। দরকারে মানহানীর মামলা করব। আবার নন্দীগ্রামে মমতা বানেরজীর নির্বাচনী এজেন্ট শেখ সুফিয়ান বলেন নির্বাচনী ঘষোনা হওয়ার পর বিজেপি কত মানুষের ঘর ভেঙ্গেছে, কত মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছে এই নিয়ে থানায় একটাও ডাইরি নেই।

ইঙ্গিত “তবে কি বিজেপির কথায় চলছে মানবাধিকার কমিশন?”

রাজ্যেরমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছেন এটি অত্যান্ত নিতিহীন কাজ, এই নিয়ে দল যা বলবে তেমন পদক্ষেপ নেব।

তবে নির্বাচনী ঘষোনা হওয়ার পর পর জয় শ্রী রাম ধ্বনি দিয়ে অনেক দাঙ্গার দৃশ্য সামনে এসেছে তবে কি এই ঘটনা গুলির উপর যেন কোনো কর্ণপাত করার প্রয়োজনই মনে করেনি মানবাধিকার কমিশন।