কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

মুকুল রায় কোন দলে: প্রমাণ করতে আদালত চললেন শুভেন্দু

Current India Features Politics

বিজেপির বিধায়ক পদও ছাড়ছেন না, আবার তৃণমূলের ঘরেও বাস করছেন। বিধানসভার শুনানিতেও অনুপস্থিত মুকুল রায়।

এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর বিরক্তির পারদ উত্তোরোত্তর চড়ছে। দলত্যাগ বিরোধী আইনের প্যাঁচে ফেলে দলছুট নেতাদের শায়েস্তা করতে বদ্ধপরিকর তিনি। কিন্তু মুকুল রায়কে বাগে আনা যাচ্ছিলনা কিছুতেই। তৃণমূল-বিজেপির মধ্যবর্তী এক অধরা সাঁকোয় মুকুল ঝুলছেন।
এবার একটা সুযোগ পেতেই বিজেপি তথা শুভেন্দু তৎক্ষনাৎ সিদ্ধান্ত নিলেন — খুব শিগগিরই তারা আদালতে যাবেন।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়ে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হন মুকুল রায়। এর দেড় মাসের মাথায় আবার তিনি তৃণমূলেই ফিরে যান। ফিরে যান আচমকা, বিনা নোটিশেই! ফলে দলত্যাগ বিরোধী আইনে বিধায়ক পদ বাতিলের আবেদনের ভিত্তিতে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ডাক পাঠিয়েছিলেন মুকুল রায়কে।


তখনই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে একমাস সময় চেয়েছিলেন মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার ছিল সেই শুনানির দিন। কিন্তু এদিনও মুকুল এলেননা। তার বদলে এল তৃণমূলের বিধায়ক ও সরকারি মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের লেখা এক চিঠি।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে অসুস্থতার কারণে মুকুল রায় আসতে পারছেননা।


আর এই চিঠিকেই দলত্যাগের সপক্ষে ‘প্রমাণ’ হিসেবে দাখিল করতে চাইছেন বিজেপি দলনেতা শুভেন্দু। তিনি বলেছেন,”মুকুলবাবু যে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের মেম্বার হয়েছেন, তার প্রমাণ — স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা নির্মল ঘোষের এই চিঠি”।


মুকুল রায়ের এই দল ঘটিত জলঘোলা বিষয়টার বিপক্ষে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু।
“নিজে অনুপস্থিত থাকলেও মুকুলবাবু নিজের অবস্থান কেন স্পষ্ট করে বলছেন না?
অসুস্থ বললেও তার সপক্ষে প্রামাণ্য কোনো সার্টিফিকেট চিঠির সাথে দেওয়া হয়নি কেন?”
তাছাড়া মুকুল বাবু যে তৃণমূল পরিষদের সদস্য, এই চিঠিই তার প্রমাণ। কারণ চিঠিটা লিখেছেন ওই দলেরই আরেক সদস্য নির্মল ঘোষ!


শুভেন্দু অধিকারীর এই দাবি থেকে বিষয়টা যতই ‘জলবৎ তরলং’ মনে হোক, বিষয়টা তত সরল নয়। কেননা নির্মল ঘোষ শুধুই তৃণমূল সদস্য নন, সরকারি মুখ্য সচেতকও বটে। তাঁর বক্তব্য “মুখ্য সচেতক হিসেবে আমার কাছে এর আগে বামফ্রন্ট বা কংগ্রেসের বিধায়কদেরও কেউ কেউ সমস্যার কথা জানাতেন। সেক্ষেত্রে যেমন করতাম, এই ক্ষেত্রেও তেমনই কিছু তথ্য স্পিকারকে জানিয়েছি। এতে ভুল কোথায়?”

ব্যস্! চিঠি প্রসঙ্গে মুকুলকে ফাঁসানোর এখানেই ইতি। কিন্তু শুভেন্দু ছোড়নেওয়ালা নন। মণিপুরের একটি দলত্যাগ বিরোধী মামলাকে এবার টেনে আনলেন তিনি। সুপ্রীম কোর্টের কী রায় ছিল সেটাও তুলে ধরেছেন।
ওই রায় অনুসারে, দলত্যাগ বিরোধী মামলার শুনানির জন্য স্পিকারের কাছে সর্বোচ্চ সময়সীমা তিনমাস, তার বেশি নয়।


মুকুল রায়ের দলত্যাগের তিনমাস পার হয়ে গেছে। অতএব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তারা আদালতে যাবেন।
এবার মুকুল রায় কী করেন সেটাই দেখার।