কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্কে এবার বিজেপিকে নিশানা বাবুল সুপ্রিয়ের

Current India Features Politics

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক নিয়ে এবার বিজেপি নেতাদের আক্রমণ করলেন বাবুল সুপ্রিয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে এবিভিপির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাবুল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেখানে দীর্ঘ ক্ষণ আটকে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং পরবর্তীতেশেষ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

সেই পুরো ঘটনা নিয়ে এবার প্রাক্তন দল বিজেপি ও তার নেতাদের তোপ দাগলেন বাবুল। বললেন, ”সে দিন তো বিজেপি নেতারা এগিয়ে আসেননি। বাড়িতে বসে মজা দেখছিলেন এরা । দেখছিলেন আমি কেমন মার খাচ্ছি ।”

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

আনন্দবাজার অনলাইনে সাক্ষাত্‍কার অনুষ্ঠানে ১৯ সেপ্টেম্বরের সেই ঘটনা নিয়ে মত জানালেন বাবুল। বললেন, ”এবিভিপি-র একটি অনুষ্ঠান হচ্ছিল সেখানে খুব সাধারণ ভাবে গিয়েছিলাম । মন্ত্রী হিসাবে কিন্তু যাইনি। কিন্তু এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা আমাকে আক্রমণ করেছিল। ওরা অবশ্য বাবুল সুপ্রিয়কে আক্রমণ করেনি , ওদের আক্রমনের মূল ছিলো আমার রাজনৈতিক দল। কিন্তু আমি মাঠ ছাড়িনি। সেই সময় এক জনও বিজেপি-র নেতা আসেননি । উল্টে সিপিএম-তৃণমূলের অফিস ভাঙচুর করায় আমাকে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল।”

সে দিনের ঘটনার পর একটি ছবিতে একটি বন্দুকের ম্যাগাজিন মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাই নিয়ে বাবুল জানান, ”আমার সঙ্গে তো জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন । তাই ওদের একটি বন্দুকের ম্যাগাজিন খুলে পড়ে যায় । সেটা নিজে এসে ফেরত দিয়েছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। সেদিন আমি উপাচার্যকে বলেছিলাম, আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকতে চাই। উপাচার্য আমাকে তখন বলেন , দোতলায় উঠে ওঁর সঙ্গে বসতে । তবে আমি যেতে চাইনি।” তবে বাবুল এদিন স্বীকার করেন, সে দিনের ঘটনায় তিনিও উত্তেজিত হয়ে প়ড়েছিলেন। সামান্য তর্ক যে হয়েছিল উপাচার্যের সঙ্গে তা স্বীকার করেন নেতা । চুল টানার ঘটনা মনে করিয়ে বাবুলের মন্তব্য, ”ওই ছেলেটা, যে আমাকে চুলের মুঠি ধরে মেরেছিল তার ছবি ও পরিচয় সব আমার কাছে আছে। তার পরের দিন ওই পড়ুয়ার মা আমাকে ফোন করেন। বলেছিলেন, ওকে যেন আমি ক্ষমা করে দিই। আমি আজ পর্যন্ত পুলিশে অভিযোগ করিনি। ক্ষমা করেছিলাম তবে কী হল ? শতরূপ ঘোষ, ওই বামপন্থী! তিনি ছেলেটাকে বললেন, যত বার বাবুল আসবে, তত বার চুলের মুঠি ধরে টানব।”

এ দিন সাক্ষাত্‍কারে বামেদের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে একটি প্রশ্ন ওঠে । শতরূপ প্রসঙ্গ টেনে বাবুল বলেন, ”এই জন্যই বামেদের কোনো ভবিষ্যত্‍ নেই।”