কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

রাজনীতিতে বিদ্যুৎ লাগা মন্তব্য: তৃণমূলকে ‘ইলেকট্রিক চুল্লি’ বললেন মিহির

Current India Features Politics

কোচবিহার থেকে শুরু করে মালদা, উত্তরবঙ্গের স্থানীয় রাজনীতিতে যিনি বরাবর উল্লেখ্য নাম তিনি মিহির গোস্বামী। রাজনীতিতে দল যদি শেষ কথা হয়, তবে তার উল্টো নজির উত্তরবঙ্গের নাটাবাড়ির এই বিজেপি বিধায়ক। মিহির গোস্বামী নামটার ব্র্যান্ড ভ্যালুই এমন।

পাশাপাশি এসে যায় দলবদল প্রসঙ্গ। কেননা অভিজ্ঞতা বলে এমন মানুষ রাজনীতি করতে এলে দলীয় নীতির সাথে মতবিরোধ হতে বাধ্য । অতীতে হয়েছেও তা।
কিন্তু এই প্রসঙ্গে নিজেই খানিক ধুনো দেওয়ায় এবার ধোঁয়া ছড়াল তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যে।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

বিজেপি নেতাদের দলবদলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন “তৃণমূল হল ইলেকট্রিক চুল্লি। তৃণমূলে যোগদান করা মানে ইলেকট্রিত চুল্লিতে ঢুকে যাওয়া”।


আপাত ক্লিন ইমেজ ধারণকারী এই মানুষটির জনপ্রিয়তা বরাবরই কোচবিহারে ছিল। রাজনীতির আঙিনায় পা রাখা যদিও কংগ্রেসের পতাকা ধরেই। প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সীর মারফত মমতা ব্যানার্জীর সংস্পর্শে আসেন তিনি। বামবিরোধী সক্রিয় সংগঠক এবং দুর্দান্ত বক্তা হিসেবে নজর কাড়তে বেশি দেরি লাগেনি।

দীর্ঘ কুড়ি বছর তৃণমূলে থাকা মিহির কেন ২০২০তে দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন? কারণ দিয়েছিলেন নিজেই –“ইন্দিরা বা রাজীব, প্রিয়রঞ্জন বা মমতা – নেতা নির্বাচনে আমার কোনোদিন ভুল হয়নি”। তার সাথে এও বলেন, তাঁর আসল লক্ষ্য এলাকার মানুষের উন্নতিসাধন। যা এতদিন সঠিকভাবে হয়নি বলেই দাবি মিহিরের। “উল্লেখ করবার মতো কাজ করার সুযোগ পেয়েছি কোথায়?” এই ক্ষোভ থেকেই বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেওয়া!

ইতিমধ্যে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন কিছু বিধায়ক। স্বভাবতই উত্তরবঙ্গ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এ পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের ৮ বিধায়ককে নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়, যে বৈঠকে অনেকেই যোগ দেননি। তাহলে তাদেরও কি দলছুটের সম্ভাবনা? এ প্রশ্নকে এক কথায় উড়িয়ে দিতেই মিহির বলেন “উত্তরবঙ্গে বিজেপির ভাঙনের কোনো কারণ নেই। তৃণমূল কী তা উত্তরবঙ্গের বিধায়করা জানেন। যাঁরা তৃণমূলে আছেন তারাও জানেন কোন ইলেকট্রিক চুল্লিতে আছেন”। একসময়ের একনিষ্ঠ তৃণমূল সদস্যের এই মন্তব্য ‘শ্মশান’এর দিকেই শেষ ইঙ্গিত করল কি? তাই নিয়ে সম্প্রতি রাজনীতি মহলে ৪৪০ ভোল্টের বিদ্যুৎ সংযোগ হয়ে গেছে।