আমাদের Telegram এ ফলো করুন সবার আগে সর্বশেষ আপডেট পান Click Here

Google News এ ফলো করুন Click Here

election commission

রাজ্যের উপনির্বাচন নিয়ে তৃণমূল-বিজেপির চাপান উতোর, মধ্যিখানে খাবি খাচ্ছে করোনা পরিস্থিতি!

Current India Features Health Politics

৭টি কেন্দ্রের বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য ইলেকশন কমিশনের কাছে দাবি জানাবেন বলে দুদিন আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার সেই দাবি পেশ করা হবে। এই নিয়ে শুরু বিজেপির কটাক্ষ।

বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “নিজের গদি বাঁচাতেই মুখ্যমন্ত্রী এই সময়ে উপ নির্বাচন চাইছেন। নভেম্বরের মধ্যে বিধায়ক হতে না পারলে সেই গদি থাকবেনা। কারণ নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রামে তিনি হেরে গেছেন”।

তৃণমূলও যুক্তি দেখাতে পিছপা নয়।
নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের ছমাসের মধ্যেই উপনির্বাচন হওয়ার কথা। সেখানে ফলাফলের পর চারমাস কেটে গেলেও এখনও উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করেনি কমিশন। এই ইস্যুতেই দাবি জানাবেন তাঁরা।


মোট ৭টি কেন্দ্রের মধ্যে কলকাতার ভবানীপুর , দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার গোসাবা ও উত্তর চব্বিশ পরগণার খড়দা রয়েছে। ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঠানো রিপোর্টে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যেসব কেন্দ্রে ভোট হবে সেখানে কোভিড সংক্রমণের হার খুবই কম। রাজ্যেও দৈনিক সংক্রমণ নিম্নমুখী। এ অবস্থায় নির্বাচন হলে ভয়ের কারণ নেই।


এদিকে দৈনিক রিপোর্ট বলছে – ২৪ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৩৫ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষের গন্ডি পেরোতে চলেছে কলকাতা ও উত্তর চব্বিশ পরগণা এই দুই জেলা। তার ওপর আগামী মাসের পরেই তৃতীয় ঢেউয়ের রয়েছে সম্ভাবনা।

এই অবস্থায় সত্যিই উপনির্বাচন করানোর সিদ্ধান্ত ঠিক কিনা তলিয়ে দেখা প্রয়োজন।বিজেপিও সেটাকেই উপনির্বাচনের বিপক্ষে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। তবে ইতিপূর্বের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি এমন সংকটজনক অবস্থাতেই বিধানসভা নির্বাচন সংঘটিত হয়েছে। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার মূলে তার ভূমিকা কতখানি সেটা কেউই খতিয়ে দেখার প্রয়োজন মনে করেননি। তাই উপনির্বাচন করা বা না করায় আদৌ করোনা পরিস্থিতি কতটা গুরুত্ব পাবে? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।