কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

রাহুল সিনহার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক : নিজের জালেই জড়ালো গেরুয়া শিবির

Current India Features Politics

এবার নিজের বেফাঁস মন্তব্যে নিজেদের দলকেই বেকায়দায় ফেলে দিলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা।
সম্প্রতি বিজেপির নব্য নিযুক্ত রাজ্যসভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল সল্টলেকে। ওই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়েই রাহুল সিনহার মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায় , “…মমতার নাকের গোড়ায় সিবিআই লেলিয়ে দিয়েছে বিজেপি”। আর এই বক্তব্য রাখামাত্রই গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কি তৃণমূলের অভিযোগই সত্যি!


তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকেই বরাবর বলে আসছেন — কেন্দ্রীয় সরকার ইডি – সিবিআইকে ব্যবহার করে তৃণমূল নেতানেত্রীদের শুধু শুধু হেনস্থা করছে বিজেপি।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বর মাসেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরাকে তদন্তে জেরা করতে দিল্লীতে ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি। করোনা পরিস্থিতিতে সুরক্ষার আবেদন সত্ত্বেও রুজিরার আবেদন গ্রাহ্য করা হয়নি।

সেদিন টানা নঘন্টা জেরার পর বাইরে এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার একটি কথাই বলেছিলেন, “ভিত্তিহীন অভিযোগে ইডি তাদের হেনস্থা করতে চাইছে”। তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, “কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী ব্যবহার করছে বিজেপি”। বিজেপি যদিও সে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রত্যুত্তরে নিরুপেক্ষ তদন্তের কথাই আগাগোড়া বলে এসেছে।

রাহুল সিনহার বেফাঁস মন্তব্য তৃণমূলের সেই অভিযোগকেই খানিকটা উস্কে দিল। সুকান্ত মজুমদারের সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল সিনহা বলেছেন, “ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল ভেবেছিল যা ইচ্ছা তাই করবে। কিন্তু মমতার নাকের গোড়ায় সিবিআই লেলিয়ে দিয়েছে বিজেপি। কিছুই করতে পারছেননা মমতা”।


রাহুল সিনহার এই মন্তব্যে স্বাভাবিক ভাবেই বিতর্ক শুরু হয়েছে — তবে কি বিজেপির অঙ্গুলিসঞ্চালনেই সিবিআই-ইডির মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কাজ করছে? তৃণমূলের অভিযোগকে সত্যি প্রমাণ করে নিজেই তো শীলমোহর বসিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা!
রাজনৈতিক মহলের একাংশ এটাই মনে করছেন।