আমাদের Telegram এ ফলো করুন সবার আগে সর্বশেষ আপডেট পান Click Here

Google News এ ফলো করুন Click Here

সব ধরনের বাজি নিষিদ্ধ : হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে বাজি বিক্রেতারা

Current India Features Health

সুপ্রিম কোর্টের প্রথম রায়ের বিপরীতে দাঁড়িয়ে কালীপূজো, দীপাবলিতে সমস্ত রকমের বাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।
রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের রিপোর্টের ভিত্তিতে শুক্রবারই রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম.আর. শাহ এবং এ.এস.বোপান্নার ডিভিশন বেঞ্চের ওই রায়ে জানানো হয়েছিল, সব আতসবাজি নিষিদ্ধ নয়, শুধু যেসব বাজিতে ক্ষতিকারক বেরিয়াম সল্ট থাকে সেইসব বাজিই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশের সাপেক্ষে পাল্টা এক মামলা দায়ের করা হয়।


হাইকোর্টে পাল্টা মামলা করেছেন পরিবেশকর্মী রোশনি আলি। সেই মামলার ভিত্তিতেই সবরকম বাজি পোড়ানোয় নিষেধ আরোপ করল কলকাতা হাইকোর্ট। এই রায়ে সমস্ত আতশবাজি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেছেন, “করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশংকা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাজি পোড়ানো বা বিক্রীর অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। সকলের কথাই আদালতকে ভাবতে হবে”।


হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ‘আতশবাজি উন্নয়ন সমিতি’।
তাঁদের প্রশ্ন- সমস্ত দিক বিবেচনা করে, এমনকি দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের অনুমোদনের ভিত্তিতে আগেই যখন সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছেন, তখন সবরকমের বাজিকে নিষিদ্ধ করা হল কেন?


এ বিষয়ে হাইকোর্টের যুক্তি — দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ যে পরিবেশ বান্ধব বাজি বা গ্রিন ক্র্যাকার্সের অনুমোদন দিয়েছেন, তা পরীক্ষা হবে কীভাবে? সাধারণ বাজিকেই যে বিক্রীর সময়ে ওই নামে চালানো হবেনা তার নিশ্চয়তা কোথায়?

এর উত্তরে পর্ষদ কোনও মতামত ব্যক্ত করেনি। ফলে রোশনি আলির মামলার ভিত্তিতে এই মূহুর্তে নাগরিকদের স্বাস্থ্য তথা পরিবেশের সুরক্ষার দিকটিকেই প্রাধান্য দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
উক্ত এই মামলার রায়ের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই ‘আতশবাজি উন্নয়ন সমিতি’ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত এই মামলা শুনানির অপেক্ষায়।