কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

স্ট্যানফোর্ডের সেরা বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি পেলেন ভারতীয় অধ্যাপক

Current India Features International Technology

আলো নিয়ে গবেষণা করে এবার ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটির স্বীকৃতি পেলেন আসানসোলের অধ্যাপক জিতেন্দ্রনাথ রায়। কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তিনি। জানাচ্ছেন, এই গবেষণার পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ সময়ের অধ্যবসায়। একই সঙ্গে এই গবেষণায় তাঁর ছাত্রদের সহায়তার কথাও বারংবার উল্লেখ করেছেন।


আলো-কে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় কিনা, এটাই তাঁর গবেষণার মূল বিষয় ছিল। ছাত্র থাকাকালীনই ‘আলো’-র বিষয়ে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন পদার্থবিদ্যার এই অধ্যাপক। দীর্ঘ গবেষণায় সাহায্য করেছে সেই অনুসন্ধানও, জানিয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে আলোর গতিবেগকে যোগাযোগ ব্যবস্থা অর্থাৎ ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে,  ভারতীয় অধ্যাপকের এই গবেষণা আরো একবার তা প্রমাণ করল।

কম মুল্যে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিন অথবা খবরের মাধ্যমে প্রচার করুন আপনার ব্যাবসা, বিস্তারিত জানতে WhtasApp / Call 8585047304

স্ট্যানফোর্ড থেকে পাওয়া স্বীকৃতির সাথে জড়িয়ে রইল তাঁর কর্মভূমি তথা কর্মক্ষেত্র কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সাধন চক্রবর্তী এবং সমস্ত সহ শিক্ষকরা বিশেষ অভিবাদন জানিয়েছেন অধ্যাপককে।


পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে , গোপালপুরে জন্মগ্রহণ করেন জিতেন্দ্রনাথ রায়। ঘাটালেই বিদ্যাসাগর কলেজ এবং বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা বিভাগে পড়াশোনা শেষ করে  সিএসআইআর ফেলোশিপ নিয়ে নিজের কলেজেই শুরু তাঁর অমূল্য গবেষণা। গবেষণার পাশাপাশি অস্থায়ী ভাবে চাকরিও করেছেন ‘ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি’-তে।

আলোকে কীভাবে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় এই গবেষণার মাধ্যমেই তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নিজের স্থান করে নিলেন। পাশাপাশি ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চসেন্টার থেকে নিউক্লিয়ার সায়েন্স নিয়েও একটি গবেষণা কার্যের প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি এবং তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা পূজা দে যৌথভাবে।


ভারতীয় বিজ্ঞানীর এই বিশ্বমানের স্বীকৃতি গৌরবের তো বটেই! পাশাপাশি আগামী দিনের ‘লাইফাই'( Lifi) প্রযুক্তিতে ‘আলোর’ ব্যবহারের যুগান্তকারী সম্ভাবনার সাথে চিরকালীনভাবে যুক্ত হয়ে রইল এই ভারতীয় অধ্যাপক জিতেন্দ্রনাথ রায়ের নাম।