IMG_20211127_145458

পুরভোট ঘোষণার পরই হাইকোর্টে সওয়াল তুলেছিল বিজেপি। বিচারপতি পঙ্কজ শ্রীবাস্তের কাছে নজরাধীন রেখে বিজেপি দলের আইনজীবি প্রশ্ন রেখেছিলেন, ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল এমন কোনও পদক্ষেপ তারা নেবেনা যাতে উচ্চ আদালতের সম্মান হানি হয়। তাহলে আদালতে পুর সংক্রান্ত মামলা চলাকালীনই কেন পুরভোটের নোটিশ জারি করল কমিশন ?’


বিচারপতি শুক্রবার শুনানির ঘোষণা করলেও, শেষপর্যন্ত রায়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকেই মান্যতা দেওয়া হল। হাওড়া বাদ রেখে, কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডে পুুরনির্বাচন ঘোষিত হয়েচে ১৯ ডিসেম্বর। ২১ তারিখ ফলাফল ঘোষিত হবে। কমিশনের নির্ধারণ অনুযায়ী ১লা ডিসেম্বরের মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।


এখনও পর্যন্ত হাওড়ার পুরভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি। ১৯ ডিসেম্বর কলকাতার সাথেই কি হাওড়ায় পুরভোটের সম্ভাবনা আছে? সেটা অনিশ্চিত। অতএব ১৯ তারিখ শুধুমাত্র কলকাতায় নির্বাচন হচ্ছে, এমনটাই ধর নেওয়া যায়। এদিকে বিজেপির জোরালো প্রশ্ন এখনও অব্যাহত। ‘একসাথে সবজায়গায় পুরভোট হলে তৃণমূলের হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা। তাই বিচ্ছিন্ন ভাবে ভোট করাতে চাইছে তারা’। এমনটাই বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছেন।


বৃহস্পতিবার দিন ঘোষণার পর থেকেই আচরণ বিধি জারি হয়েছে কলকাতায়। কমিশনের নিয়ম অনুসারে, সন্ধে ৭ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত বড়সড় মিটিং বা মিছিল নিষিদ্ধ। ৫ জনের বেশি বাড়ি বাড়ি প্রচার করতে পারবেননা।


প্রসঙ্গত, ভোটের দিনক্ষণ ঠিক হতেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ১২৬ টি কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে তৃণমূল, আর বাকি ১৮টি অন্য দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


জেলার এক জনসভা মঞ্চে দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন তৃণমূল হারবে। তিনি বলেন, “গুন্ডামি আর লুটপাটের রাজনীতি বেশিদিন স্থায়ী হয়না। আমাদের কাজ দেখে মানুষ আশা ভরসা পাচ্ছে”। পাশাপাশি তৃণমূলের দাবি, পুরভোটে বিজেপি হারবে জেনেই, কর্মীদের মনোবলকে আগে থেকে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা ছাড়া এগুলো আর কিছুই নয়!

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com