IMG_20220107_213637

পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ প্রায় শেষের মুখে। কলকাতা-বাংলাদেশ যাত্রাপথে এই ব্রিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এই বছরেই ব্রিজটির উদ্বোধন হবে, বাংলাদেশ রেলওয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর এমনটাই জানিয়েছেন।


চিনের সাথে যৌথভাবে পদ্মাসেতু নির্মাণ করছে বাংলাদেশ। যাত্রাপথের সময় ও দূরত্বে পরিবর্তন তো বটেই, এই ব্রিজ নির্মিত হলে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও প্রভূত উন্নতির সম্ভাবনা, তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ব্রিজ তৈরির কাজ শেষ করতে চাইছে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার।

উল্লেখ্য ,বহু বাধাবিপত্তি কাটিয়ে এই পদ্মাসেতু তৈরি হয়েছে, জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। বিশ্বব্যাঙ্কের সাথে ‘দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার পর অবশেষে ২০১৩ সালে দেশের নিজস্ব অর্থে পদ্মাসেতু নির্মাণের ঘোষণা করেছিলেন তিনি। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে সেতুর ভিত্তি উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ৫ বছরের দীর্ঘ সময় ধরে চলা নির্মাণকাজ এই বছরই সম্পূর্ণ হতে চলেছে।


কলকাতা থেকে বাংলাদেশ যাতায়াত করা যাত্রীরা এই ব্রিজটির অপেক্ষায়। কেননা নতুন এই পদ্মাসেতু কলকাতা-বাংলাদেশের বর্তমান ৪০০ কিলোমিটারের পথকে কমিয়ে আনবে ২৫০ কিলোমিটারে। ফলে দ্রুত এবং কম সময়ে পৌঁছতে পারবেন যাত্রীরা।

পদ্মাসেতুর নিচতলা দিয়ে রেললাইন ও ব্রিজ দিয়ে অন্যান্য পরিবহন চলাচল করবে। তথ্যসূত্র অনুযায়ী ব্রিজের দুপ্রান্তের একদিকে মাওয়া, অন্যদিকে জানজিরা। নবনির্মীয়মান পদ্মাসেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬.২ কিলোমিটার!


বর্তমানে কলকাতা থেকে বাংলাদেশ রেলপথে যেতে হলে গেদে ও দর্শনা দিয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে পৌঁছতে হয়। যেতে সময় লাগে ১০ ঘন্টা। এবার পদ্মাসেতু তৈরি হলে বনগাঁ থেকে পেট্রাপোল হয়ে ছুটবে ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’। মাত্র সাড়ে ৩ ঘন্টাতেই কলকাতা থেকে ঢাকা পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হবে। সুতরাং উভয় দেশের বহু যাত্রীই পদ্মাসেতু তৈরির প্রতীক্ষায় রয়েছেন।

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com