1632572791_firhad

কোভিডকালে লকডাউন চলার সময় থেকে এখনও পর্যন্ত বেসরকারি বাসের নির্দিষ্ট কোনও নির্ধারিত মাপকাঠি নেই। ইচ্ছেমতোই ভাড়া বড়িয়েছেন বাস মালিকরা। এমনকি একই রুটের দুটি বাসে দুরকমের ভাড়া নিয়েও সমস্যায় পড়তে হয়েছে নিত্যযাত্রীদের। সম্প্রতি এই মর্মে একটি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করা হয়েছিল হাইকোর্টে। তার মধ্যেই গত বুধবার কসবার পরিবহন ভবনে বাসমালিকদের নিয়ে বৈঠক করেছেন পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।


এই বৈঠকে রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম স্পষ্টতই বলেছেন , “অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবেনা। অতিরিক্ত ভাড়ার সমস্যা মেটাতে এবার থেকে প্রত্যেকটি বাসে ফেয়ার চার্ট টাঙানো বাধ্যতামূলক হবে।”
উল্টোদিকে বেসরকারি বাস এবং ট্রাক মালিকদের সংগঠন ‘পরিবহন বাঁচাও কমিটির’ পক্ষ থেকে বেশকিছু দাবিদাওয়া উত্থাপন করে। ফিরহাদ হাকিম এইসমস্ত দাবিদাওয়া লিখিত আকারে জমা দিতে বলেছেন সোমবারের আগে। তবে ভাড়া বাড়ানোর ব্যাপারে একেবারেই সম্মত হচ্ছেননা পরিবহনমন্ত্রী।


এ প্রসঙ্গে ‘বাস সিন্ডিকেট ‘-এর নেতা তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা মন্ত্রীর কথামতো আমাদের দাবি লিখিত আকারে পরিবহন দপ্তরকে জানাবো। কিন্তু সরকারকেও আমাদের অবস্থাটা বুঝতে হবে। বাসমালিকরা চান, ভাড়া নির্ধারক কমিটি গঠন করে বাসভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নিক সরকার।” জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গও তুলেছেন তিনি।

‘সাবার্বান বাস সার্ভিসের’ সদস্য টিটো সাহাও ভাড়া বৃদ্ধিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেছেন, “২০১৮ সালে যখন জ্বালানির দাম বেড়েছিল সেই অনুযায়ী বাসভাড়া বেড়েছিল। এখন নতুন বাসভাড়ার তালিকা টাঙাতে হলে ২০২২ সালের জ্বালানির দামের কথা মাথায় রেখেই ভাড়ার তালিকা তৈরি করে পরিবহন দপ্তর তা বাসে টাঙানোর নির্দেশ দিক।”


এখনও পর্যন্ত বাসমালিকদের ভাড়া বাড়ানোর বিপক্ষেই রয়েছেন পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তবে জ্বালানির দামবৃদ্ধির প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত কী নেওয়া হবে সেটাই বিচার্য হয়ে উঠছে।

 

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com