IMG_20220517_174827

জম্মু ও কাশ্মীরের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে ভারতের সাথে সংঘাতে নামলো ইসলামিক দেশগুলির মিলিত সংগঠন ওআইসি (Organization of Islamic Cooperation)। এই সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, কাশ্মীরের জনসংখ্যার পরিবর্তন মানে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা।


আন্তর্জাতিক ইসলামিক সংগঠন ওআইসি-র জম্মু ও কাশ্মীরের সীমানা নির্ধারণে আপত্তির প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব অরিন্দম বাগচি বলেছেন, “আমরা বিস্মিত যে ওআইসি আবারও ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করেছে।”
উল্লেখ্য, এই প্রথম নয়, পররাষ্ট্র্র মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এর আগেও ওআইসি জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছিল, যা ভারত সরকার দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।


এবারও জম্মু ও কাশ্মীরের সীমানা নির্ধারণ প্রসঙ্গে অনেকগুলি ট্যুইটের মাধ্যমে অনধিকার মন্তব্য করেছে ওআইসি। তবে ভারতও চুপ করে থাকেনি। পাল্টা উত্তর দিয়ে জানিয়েছে ‘ওআইসির উচিত নয় কোনও একটি দেশের ইশারায় সাম্প্রদায়িক এজেন্ডা চালানো।’ ইঙ্গিত যে পাকিস্তানের দিকে সেটা বুঝে নেওয়া কঠিন নয়।

আন্তর্জাতিক ইসলামিক সংগঠন ওআইসি-র বক্তব্য অনুুযায়ী, জম্মু ও কাশ্মীরের জনসংখ্যার পরিবর্তন উদ্বেগের কারণ। এর ফলে জনগণের অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও মতপ্রকাশ করেছে ওআইসি। ট্যুইট মারফত এই সংগঠনের তরফে বলা হয়,’জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন অনুযায়ী সেখানকার জনগণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে।’


তবে এই আপত্তিকর মন্তব্যে বিশেষ কর্ণপাত না করেই ভারত জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য যাবতীয় সীমাবদ্ধতার নিয়ম লাগু করেছে এবং সেখানে নির্বাচনের উপযুক্ত পরিস্থিতিও তৈরি করছে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনও তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবার থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে মোট ৯০টি বিধানসভা আসন থাকবে। সেইমতোই নির্দিষ্ট হিসেবে লোকসভাও নির্ধারিত হবে।

 

সবশেষে ওএসির আপত্তিজনত মন্তব্যের বিরোধিতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব অরিন্দম বাগচী জোরালো দাবি জানান, “জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com