images - 2022-04-11T172653.114

গতকাল রবিবার ছিল পূণ্যতিথি রামনবমী। এই তিথি উপলক্ষ্যে ‘খাপ খোলা’ তলোয়ারের মতোই বেরিয়ে এল বিজেপির খাপখোলা উন্মুক্ত রূপ। মহাধূমধাম সহকারে এদিন শোভাযাত্রা বের হল বিভিন্ন জেলায়।


অন্যান্য জেলার মতোই হাওড়ার শ্যামাশ্রী হলে সমস্ত বিজেপি কর্মীদের জমায়েতের পর শোভাযাত্রা শুরু হয়। মিছিল চলে রামরাজাতলা পর্যন্ত। এই মিছিলের সম্মুখে খোলা তলোয়ার হাতে নেতৃত্ব দিলেন বিজেপির রাজ্যকমিটির অন্যতম সদস্য উমেশ রায়।

সকাল ৭:০০টায় মিছিল বের হয়েছিল বলেহ খবরসূত্রে প্রকাশ। এই সুদীর্ঘ মিছিলে খোলা তলোয়ার, ত্রিশূল ও ধর্মীয় পতাকা হাতে নিয়ে, পায়ে পা মিলিয়ে “জয় শ্রীরাম” ধ্বনি তোলেন বিজেপি কর্মী সমর্থক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যুক্ত মানুষজন। পাশাপাশি ‘ডিজে’-তে বেজে চলেছিল ধর্মীয় সঙ্গীত। এই মিছিলের সুরক্ষার্থে নিযুক্ত ছিল পুলিশি প্রহরাও।


এছাড়া হাওড়া জেলার বিভিন্ন অঞ্চলেও রামনবমীর উদযাপনে বেশ কয়েকটি শোভাযাত্রা বের করা হয়।সাঁকরাইলের রাজগঞ্জ থেকে এলাকার একটি সংঘের উদ্যোগে ‘সশস্ত্রমিছিল’ বেরিয়ে মানিকপুর পর্যন্ত গিয়েছিল। এখানেও মোতায়েন করা হয়েছিল পুলিশ। যথারীতি অন্যান্যবারের মতোই এবারেও ‘অস্ত্র’ হাতে মিছিল করার জন্য বিতর্কে জড়ালো বিজেপি।

এর আগে ২০১৮ সালে সশস্ত্রমিছিলের কারণে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছিল পুলিশ। দিলীপ ঘোষ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও অস্ত্র হাতে থাকায় বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন। তারপরেও রামনবমীতে অস্ত্রহাতে মিছিল কেন? উঠেছিল সেই প্রশ্ন। উত্তর দেন বিজেপির রাজ্যকমিটির সদস্য উমেশ রায়।


তিনি বলেন, “আজ রামনবমীর পূণ্য তিথিতে রামভক্তরা অস্ত্র নিয়ে পূজো করে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে।অনেকেই প্রশ্ন করছেন কেন এই অস্ত্র? সনাতনী হিন্দুরা জানেন, সমাজে যখন অসুর শক্তি বেড়ে যায়, তখন অস্ত্র তুলে নিতে হয় ধর্মরক্ষার জন্য। আমাদের ধর্মেই বলা আছে, যখন যখন ধর্ম সংকটে পড়বে, তখন তখন সমাজে শান্তিরক্ষার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হবে।”
উমেশ রায়ের এই বক্তব্যে বিতর্কের যথেষ্ট অবকাশ থেকে গেল বলেই সচেতন মহলের একাংশ মনে করছেন।

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com