images - 2022-01-29T124634.939

প্রজাতন্ত্র দিবস থেকেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আলোচনার শীর্ষে। আলোচনা চলছে নেতাজির নামাঙ্কিত ট্যাবলো বাতিল নিয়ে। এরপর অবশ্য নেতাজির মূর্তি নির্মাণ নিয়েও একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে বিগত কয়েকদিনে। এবার খানিকটা কেন্দ্রের দিকে ঝুঁকেই নেতাজি-বিতর্কে জল ঢালতে গিয়ে আরো এক বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী।


শান্তিনিকেতনের বিনয় ভবনের প্রাঙ্গনে প্রজাতন্ত্র দিবসে আমন্ত্রিত হয়ে বিশ্বভারতীর উপাচার্য বলেছেন, “কোথায় স্ট্যাচু বসবে, কোথায় ট্যাবলো যাবে এমন সব তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমরা লড়াই করে যাচ্ছি। এতে কি গরীব মানুষের পেট ভরবে?”

তাঁর এই মন্তব্যে নেতাজি-বিতর্ক ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের সুর খুঁজে পেয়েছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের পাল্টা গুঞ্জনে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে প্রশ্ন, মাননীয় উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী মহাশয় কি ‘নেতাজি’র বিষয়ে আলোচনাকেই তুচ্ছ বিষয় বলে মনে করেছেন! সেই নেতা, যিনি স্বাধীনতা উত্তর ভারতবর্ষে শোষণহীন এক জাতীয় সমাজব্যবস্থার স্বপ্ন দেখতেন, সেই নেতাকে নিয়ে আলোচনা যদি তুচ্ছ বিষয় হয় তাহলে গরীবের পেট ভরাবার আর কী কী বিকল্প আলোচনা তিনি সঠিক মনে করেন? এই প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে।

উল্লেখ্য, উত্তরাখণ্ডের রামগড়ে বিশ্বভারতীর দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সূচনার ঘোষণায় ইতিমধ্যেই এক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। যার উল্লেখ তিনি এই বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিজেই করেছেন। অধ্যাপকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আমি আর কেন্দ্রীয় সরকার নাকি বিশ্বভারতীকে অন্য জায়গায় সরানোর ষড়যন্ত্র করছি! এটা কি সম্ভব?

আমার ধারণা ছিল এখানকার অধ্যাপকরা বুদ্ধিমান। কিন্তু এঁদের যা বুদ্ধিমত্তা দেখছি তা নিয়ে আমার আর কিছু বলার নেই। তাঁরা যাতে এখানে পড়াতে না পারেন আমি সেই চেষ্টা করতে পারি। কিন্তু তা তো আর করা যাবেনা।” করা গেলে কি সেটাই করতেন? অধ্যাপকদের পাল্টা প্রশ্ন।
তবে এই আলোচনার সাথে গরীবদের পেট ভরাবার সম্পর্কটা ঠিক কী! সেটা অনেকের কাছেই ঠিক পরিস্কার নয়।

By Partha Roy Chowdhury (কিঞ্জল রায়চৌধুরী)

Partha Roy Chowdhury (Bengali: কিঞ্জল রায়চৌধুরী) is staff journalist VoiceBharat News. email: kinjol@voicebharat.com